• মেলাঘরে ভয়াবহ যান দুর্ঘটনা নিহত ১, আহত ৯
  • সরকারের বিজ্ঞান ও পরিবেশ দফতরের নির্দেশে প্লাস্টিক ব্যবহার রুখতে এবার রেল ও গাড়িতে অভিযান
  • দুষ্কৃতিকারীদের হাত থেকে স্ত্রীকে বাচাতে গুরুতর আহত স্বামী
  • সরকারী স্কুল বিল্ডিং এর সামনে দোকান, প্রতিবাদে এলাকাবাসীরা
  • কদমতলা থেকে এক নববধূর অপহরণ
  • বিশালগড়ে এক মহিলার স্বর্ণের হার ছিনতাই
  • বামেদের তুলোধুনো করলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব
  • ত্রিপুরায় প্লাস্টিক আটার আতঙ্ক ছড়াচ্ছে
  • ত্রিপুরায় নিখোঁজ ব্যবসায়ী দিল্লি থেকে উদ্ধার
  • আশারামবাড়িতে শরিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত সমগ্র মহকুমা
  • নাবালিকা অপহরণ কান্ডকে ঘিরে উত্তপ্ত সোনামুড়া
  • শনিবার কংগ্রেসের বিশ্বাসঘাতক দিবস পালিত
  • বিশালগড় জাতীয় সরকে দুটি গারির মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৪
  • তালিবানি কায়দায় গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা
  • জায়গা জমি বিবাদের জেরে তুমুল সংঘর্ষে, উত্তপ্ত নন্দননগর
  • শাশুড়ি এবং মায়ের উপর নির্যাতনের অভিযোগে নিজ নিজ পদ থেকে বহিষ্কৃত বিজেপির দুই নেতা নেত্রী
  • বিলোনিয়ায় সিআইটিইউর ভবনের ধংসাবশেষ পরিদর্শনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী
  • স্বামী স্ত্রীর পচাগলা দেহ উদ্ধার
  • বিলোনিয়ায় ব্যপক রাজনৈতিক সংঘর্ষ
  • নির্বাচন ছাড়াই পঞ্চায়েত হাতছাড়া হচ্ছে বামেদের
  • ৭ বছর আগের মামলা থেকে রেহাই পেলেন ৯ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব
  • বিজেপির ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজ্য বিজেপির একগুচ্ছ কর্মসূচি
  • রাজ্যে বামফ্রন্টের শরিক দলগুলোর নেতা কর্মীদের আক্রমণের প্রতিবাদে সিপিআইএমের গণঅবস্থান
  • ধর্মনগরে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার
  • কমলপুরে ব্রাউন সুগার সহ গ্রেপ্তার দুই যুবক

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

স্বাস্থ্য

সকালে হালকা গরম জলে পাতিলেবু দিতে জল খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

১৬ এপ্রিল (এ.এন.ই ): সকালে উঠে অনেকেই হালকা গরম জলে সামান্য পাতিলেবু দিতে জল খান। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে বা ওজন কমে বলে মনে করা হয়। তবে এখন গবেষকরা বলছেন, লেবু দিয়ে নয়, শুধুমাত্র গরম জল খেলেই একাধিক উপকার পাওয়া ‌যায়। ওজন কমাতে একগ্লাস হালকা গরম জলই অনেক কাজ দেবে। তবে পানির তাপমাত্রা হতে হবে ১২০ ডিগ্রির মধ্যে। এই তাপমাত্রা মুখের ভেতরকার কোষ নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়। গরম জলের একটি বড় কাজ হল এটি পেটের চর্বি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। খালি পেটে গরম জল খেলে তা স্টোম্যাকের টক্সিন কমিয়ে দেয়। শরীরও তরতাজা রাখে সারাদিন। গরম জল পান করলে শ্বাসনালীর ইনফেকশন কমে ‌যায়।

16-04-2018 03:56:11 pm

আপেল খাওয়ার ৯টি স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিন

১৬ এপ্রিল (এ.এন.ই ): কথিত আছে, নিয়মিত আপেল খেলে নাকি ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। আপেল একটি সুস্বাদু ফল। আপেল খেলে পেটও ভরে বলে হালকা নাস্তা হিসেবে আপেলের জুড়ি নেই। চোখ ধাঁধানো রঙ এর কারণে ছোটরাও বেশ পছন্দ করেই খায় এই ফলটি। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রতিদিন আপেল খাওয়ার ৯টি স্বাস্থ্য উপকারিতা- ১.সাদা ঝকঝকে দাঁত আপেল খেলে দাঁতের দারুণ উপকার হয়। তার কারণ, আপেলে কামড় দিয়ে যখন আমরা চিবোতে শুরু করিই, তখন আমাদের মুখের ভিতর লালার সৃষ্টি হয়। এই পদ্ধতিতে দাঁতের কোণা থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বেরিয়ে আসে। এর ফলে সেই ব্যাকটেরিয়া আর দাঁতের কোনও ক্ষতি করতে পারেনা। তাই বলে, শুধু আপেল খেয়ে দাঁতের যত্ন নিতে যাবেন না যেন! মনে করে, পেস্ট ব্রাশ ব্যবহার করে দাঁতের যত্ন নেবেন। ২.ক্যান্সার দূর করে: আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপেল খেলে অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সারের সম্ভাবনা প্রায় ২৩% হারে কমে। কারণ আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনল থাকে। এছাড়াও কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা আপেলের মধ্যে এমন কিছু উপাদানের সন্ধান পেয়েছেন, যা ট্রিটারপেনয়েডস নামে পরিচিত। এই উপাদানটি লিভার, স্তন এবং কোলোনের মধ্যে ক্যান্সারের কোষ বেড়ে উঠতে বাঁধা দেয়। ন্যাশানাল ক্যান্সার ইন্সটিটিউট ইন দ্য ইউ এস- এর গবেষণা থেকে জানা যায় যে, আপেলের মধ্যে যে পরিমাণে ফাইবার থাকে, তা মলাশয়ের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে। ৩.ডায়াবেটিসের সমস্যা কমায় যে সকল মেয়েরা প্রতিদিন আপেল খান, তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা ২৮% কমে যায়। তার কারণ, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা রক্তে শর্করার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে। ৪.কোলেস্টেরল কমায় আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা অন্ত্রের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। যার ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে। আর একবার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করলে হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। ৫.হার্ট ভালো রাখে আগেই বলা হয়েছে যে, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, আপেলের খোসার মধ্যে যে ফেনলিক উপাদান থাকে, তা রক্তনালিকার থেকে কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। এর ফলে হার্টে রক্তচলাচলা স্বাভাবিক থাকতে। ফলে হৃদযন্ত্রের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। ৬.গলস্টোন সারাতে সাহায্য করে পিত্তথলির মধ্যে অতি পরিমাণে কোলেস্টেরল জমে গেলে তখন গলস্টোন হয়। গলস্টোন কমানোর জন্য ডাক্তাররা সব সময় ফাইবার সমৃদ্ধ ফল বা খাদ্য খাওয়ার উপদেশ দেন। সেই সঙ্গে গলস্টোন সারাতে ওজন এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এই সবকটি কাজ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে আপেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। ৭.ডায়ারিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে আপনি কি সারাদিনে বারে বারে বাথরুমেই যেতে থাকেন? কোনও কিছু খেলেই বাথরুমে দৌড়াতে হয়? আবার এমনও কি হয়, যখন বাথরুমে গেলেন তখন দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়? অথচ কিছুতেই পেট পরিষ্কার হয় না। তাহলে এই দুই সমস্যারই একটাই ওষুধ। তা হল, আপেল, যা প্রয়োজন অনুযায়ী বর্জ্য থেকে অতিরিক্ত জল টেনে রাখতে পারে। ফলে একদিকে যেমন অতিরিক্ত বার বাথরুমে যেতে হয় না, তেমনিই হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে। ৮.ওজন কমাতে সাহায্য করে কত মানুষই তো আছেন, যারা অতিরিক্ত ওজনের কারণে জর্জরিত। আবার শুধুমাত্র এই কারণে, নানারকম রোগও শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। এমনকি, ডায়াবেটিস, হাড়ের রোগ কত কিছুই না হয়। তাই সেই সমস্ত রোগকে যদি বিদায় জানাতে চান, তাহলে নিয়ম করে আপেল খান। ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার আপনার পেট ভরাতে সাহায্য করে কোনও ক্যালরি ছাড়াই। এর ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ৯.লিভার সুস্থ থাকে আমরা যা কিছু খাই, তার মধ্যে কিছু না কিছু ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। ফলে আমাদের লিভারের ক্ষতি হতে শুরু করে। যে কারণে লিভারকে সুস্থ রাখাটা খুবই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে লিভারকে ১০০ শতাংশ সুস্থ রাখতে পারে আপেল। এটি খুব সহজেই লিভারে জমা হওয়া ক্ষতিকারক উপাদানদের বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে।

16-04-2018 03:47:03 pm

জেনে নিন কাঁচা আমের কিছু উপকারিতা

১৬ এপ্রিল (এ.এন.ই ): গ্রীষ্মকালীন ফল আম। গরমে দাবদাহে এক ফালি কাঁচা আম নিয়ে আসে প্রশান্তি। নানা গুণে ভরপুর আমকে বলা হয় ফলে রাজা। পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের পুষ্টিগুণ বেশি। তবে পুষ্টিবিদরা বলেন, পাকা হোক কাঁচা হোক যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন তা আমাদের জন্য উপকারী। চলুন জেনে নেয়া যাক কাঁচা আমের কিছু উপকারিতা- বাড়তি ওজন কমাবে: যারা ওজন কমাতে বা শরীরের বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে চান, তাদের জন্য এখন আদর্শ ফল কাঁচা আম। পাকা মিষ্টি আমের চেয়ে কাঁচা আমে চিনি কম থাকে বলে এটি ক্যালরি খরচে সহায়তা করে। রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়: কাঁচা আমে যথেষ্ট পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। আর এই পটাশিয়াম শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। গর্ভবতী মায়ের জন্য উপকারী: গর্ভবতী অবস্থায় মায়েরা কাঁচা আম খেলে অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা বেশি থাকে সন্তানের। ফলে জন্মানোর পর খুব কমই রোগে আক্রান্ত হয় শিশুরা। ছোঁয়াচে রোগ থেকে বাঁচায়: কাঁচা আমে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি। ভিটামিন-এ চোখের জন্য উপকারী এবং সি যে কোনো ধরণের ছোঁয়াচে রোগ থেকে বাঁচায়।

16-04-2018 03:08:14 pm

প্রতিদিন মাংস খেলে হতে পারে ক্যান্সার, বাড়তে পারে কোলেস্টেরল, রক্তচাপ মন্তব্য গবেষকদের

৯ এপ্রিল (এ.এন.ই ): কোন খাবার শরীরের জন্য উপকারী আর কোন খাবার ক্ষতিকর, বেশিরভাগ মানুষ এসব না ভেবেই খাবার খান। শুধুমাত্র জিভের স্বাদে কত খাবারই না আমরা খাই। তাতে শরীরের কতটা কী ক্ষতি হল, সেদিকে একবারও ভেবে দেখি না। এমন বহু মানুষ আছেন যারা মাংস ছাড়া খাবারই খেতে পারেন না। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় মাংস রাখেন, এমন বহু মানুষ আছেন। কিন্তু জানেন কি, রোজকার খাবারের তালিকার এই মাংসই ডেকে আনতে পারে নানারকম অসুখ। অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার ফলে হতে পারে ক্যানসার, বিভিন্ন প্রকারের হৃদরোগ, বাড়তে পারে কোলেস্টেরল, রক্তচাপ। এখানেই শেষ নয়, রোজ রোজ মাংস খেলে হতে পারে লিভারের অসুখও। সম্প্রতি এক গবেষণায় এক তথ্য প্রকাশ হয়েছে, অতিরিক্ত মাংস খেলে বাড়তে পারে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিসিস'র প্রবণতা। এই নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিসিসের ফলে ক্যানসার, টাইপ টু ডায়াবিটিস, ক্রনিক হার্ট ডিসিস এবং আরও অন্যান্য ভয়ঙ্কর রোগের শিকার হতে পারেন। গবেষকরা জানাচ্ছেন, যারা প্রচুর পরিমাণে সঠিক উপায়ে তৈরি না হওয়া মাংস খান, তাদের মধ্যে বেশি পরিমাণে লিভারের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া, প্রতিদিনকার খাবারের তালিকায় মাংস না রেখে, মাংসে থাকা একই পরিমাণ প্রোটিন আমরা অন্যান্য অনেক খাবারে পেতে পারি। তাই লিভার ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবারের তালিকায় মাংস রাখার আগে একবার ভেবে দেখুন।

09-04-2018 03:47:22 pm

দুধ ফুটিয়ে খাওয়া একান্তভাবে আব্যশক বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের

৯ এপ্রিল (এ.এন.ই ): দুধ কাঁচা খাওয়া ভাল নাকি ফুটিয়ে খাওয়া ভাল, এ নিয়ে নানা মুনির নানা মত। নিজেদের আঙ্গিকে এটিকে ব্যাখ্যাও দিয়ে থাকেন। যে যাই বলুক সরাসরি গোয়ালঘর বা খামার থেকে আসা কাঁচা দুধ না ফুটিয়ে খেতে কঠোরভাবেই নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক বেশি। ফলে কাঁচা দুধ অবশ্যই ফুটিয়ে খেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা দুধে অনেকরকম রোগজীবাণু বাসা বাঁধে। সরাসরি খামার থেকে আনা দুধ খেলে সেই জীবাণু শরীরের নানা ক্ষতি করতে পারে। দুধ ফোটালে উচ্চ তাপমাত্রায় সেই সব জীবাণু মরে যায়। এখন আমরা যে প্যাকেটের দুধ কিনি, তা পাস্তুরাইজড। জলে জীবাণুমুক্ত এবং সংরক্ষণের পদ্ধতির নাম পাস্তুরাইজেশন। বিশেষ পদ্ধতিতে উচ্চ তাপমাত্রায় পাস্তরাইজেশন করা হয়। প্যাকেটের দুধও ফুটিয়ে খাওয়াই ভাল, এমনটাও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ পাস্তরাইজেশন পদ্ধতিতে দুধ একশো শতাংশ ব্যাকটেরিয়া মুক্ত করা সম্ভব হয় না। নিউইয়র্কের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপকদের কথায়, না ফোটানো দুধে ই-কোলাই, সালমোনেল্লার মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে। এই ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কমিয়ে দেয়। বিশেষত গর্ভবতী মহিলা, শিশু এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে সব সময় দুধ ফুটিয়ে খেতে বলেন চিকিৎসকেরা। বায়োটেকনোলজির বিশেষজ্ঞেরা জানান, দেখা গেছে কাঁচা দুধ তো বটেই, এমনকি পাস্তরাইজড দুধেও নানা রকম মাইক্রোব্যাকটেরিয়া জন্মায়। তাদের মধ্যে রয়েছে, সিউডোমোনাস (৬৪-৫৩.৮ শতাংশ), মাইক্রোকক্কাস (৮.২ শতাংশ), এনটারোব্যাকটর (৯.৮ থেকে ২.৬ শতাংশ), ব্যাসিলাস (৬.৬ থেকে ২.৬ শতাংশ), ফ্ল্যাভোব্যাকটর (১.৬ থেকে ১.৩ শতাংশ)। জাপানের ওহিও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানাচ্ছেন, পাস্তরাইজেশন পদ্ধতিতে দুধ জীবানুমুক্ত করতে গিয়ে উচ্চ তাপমাত্রায় ফোটানো হয়, ফলে দুধের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। তাই বর্তমানে, এই পদ্ধতিতে দুধ একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ফোটানো হয় এবং ধীরে ধীরে সেটাকে ঠাণ্ডা হতে দেওয়া হয়। তাই গবেষকদের মত, প্যাকেট দুধ দোকান থেকে কিনে এনে কিছু সময় হলেও সেটাকে ফোটান। যদি কোনও জীবাণু থেকেও থাকে, ফোটালে সেই সম্ভাবনা দূর হবে।  

09-04-2018 03:41:56 pm

ক্যান্সার সহ বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা করে সফেদা

৯ এপ্রিল (এ.এন.ই ): মিষ্টি ফল সফেদা। সামান্য একটু হাতের চাপেই খুলে যায়। মুখে দিলে নিমেষে মিলিয়ে যায়। থেকে যায় মিষ্টি রসের আস্বাদ। কেবল স্বাদে নয়, গুণেও অতুলনীয় এই সফেদা। ১) সফেদার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি থাকে। ভিটামিন এ চোখের পক্ষে খুবই ভাল। আর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি'র জুড়ি মেলা ভার। ২) সফেদায় প্রচুর পরিমাণে শর্করা রয়েছে। তাই ব্যস্ত দিনের আগে একটি সফেদা খেয়ে নিলে শরীর গোটা দিন চাঙ্গা থাকে। ৩) এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। যা ওরাল ক্যাভিটি ক্যান্সারের মতো রোগকেও প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৪) সফেদায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন রয়েছে। ফলে এটি যেমন আপনার হাড়ের জোর বাড়ায়, তেমনই শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে। ৫) সফেদা আবার শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। ফলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ৬) একাধিক ভিটামিন ও ইলেক্ট্রোলাইট রয়েছে। তাই এটি গর্ভবতী মহিলাদেরও নিয়মিত খাওয়া উচিত। এতে বমি বমি ভাবটিও কেটে। ৭) সবেদায় জলের পরিমাণ বেশি থাকে। খিদে মেটাতেও এই ফল খুবই কার্যকরী। ফলে ডায়েটিংয়ের ক্ষেত্রে এই ফল ভীষণ উপকারী।  

09-04-2018 03:37:09 pm

মানব দেহের শরিরে সেদ্ধ ডিমের বিভিন্ন উপয়াকারিতা জেনে নিন

৩ এপ্রিল (এ.এন.ই ): ডিমকে বলা হয় 'সুপারফুড'। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস। প্রোটিনের সবচেয়ে ভালো উৎস হচ্ছে ডিম। এতে ক্যালোরিও বেশ কম থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ২টি করে ডিম খাওয়া উচিত। আর সকালের খাবারে একটি সেদ্ধ ডিম সারাদিন শরীরকে রাখে চাঙ্গা। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই, প্রতিদিন সকালের খাবারে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতাগুলো সম্পর্কে। ১. শক্তি যোগায় একটি বড় সেদ্ধ ডিমে প্রায় ৮০ ক্যালোরী আছে। এর মধ্যে ৬০% ক্যালোরী আসে চর্বি থেকে। ফলে সকালের নাস্তায় একটি মাত্র সেদ্ধ ডিম খেলে সারাদিন শক্তি পাওয়া যায় এবং দূর্বলতা হ্রাস পায়। ২. হাড় গঠন সেদ্ধ ডিমে আছে ভিটামিন ডি যা হাড় ও দাঁত শক্ত করে। ভিটামিন ডি খাবার থেকে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে সহায়তা করে এবং রক্তের ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে শরীরের হাড়ের কাঠামো মজবুত ও শক্ত হয় এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়। প্রতিদিন সকালের খাবারে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৪৫ আন্তর্জাতিক ইউনিট ভিটামিন ডি পাওয়া যায় যা হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। ৩. প্রোটিন সেদ্ধ ডিমে প্রাকৃতিকভাবেই প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। সকাল বেলা নাস্তায় একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৬ গ্রামের বেশি প্রোটিন পাওয়া যায়। ৪. চোখের স্বাস্থ্য ডিমের একটি প্রধান খাদ্য উপাদান হলো ভিটামিন এ। ভিটামিন এ রেটিনায় আলো শুষে নিতে সহায়তা করে, কর্নিয়ার পাশের মেমব্রেনকে রক্ষা করে এবং রাতকানার ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন সকালে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে খাবার তালিকায় ৭৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ যুক্ত হয়। ৫. দেহের ওজন নিয়ন্ত্রন করে আমাদের দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে ডিমের উপকারিতা অনেক। যারা পেশির ওজন বৃদ্ধি করতে চান তাদের জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ ডিম উপযুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, ডিম আমাদের দেহে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগাকে কমিয়ে দিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই সকালের খাবারে একটি সেদ্ধ ডিম বেশ উপকারী। ৬. মস্তিষ্কের জন্য উপকারি ডিমে আছে প্রচুর পরিমানে কলিন যা নিউরোট্র্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে আমাদের দেহকে সুস্থ রাখে। ডিম আমাদের মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া ডিমের কুসুমে আছে ফলেট উপাদান যা আমাদের মস্তিষ্কের ভিতরে স্নায়ু কোষের রক্ষণাবেক্ষণ করে। ৭. নখ ও চুলের স্বাস্থ্য উন্নত কর ডিমে আছে সালফার সমৃদ্ধ অ্যামিনো অ্যাসিড যা আমাদের হাতের নখের স্বাস্থ্যই শুধু উন্নত করেনা আমাদের চুলের স্বাস্থ্য মজবুত করে ও আকর্ষণীয় করে তুলে। ডিমের অন্যান্য খনিজ পদার্থ সেলেনিয়াম, আয়রন ও জিঙ্ক দেহের নখ ও চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে সহযোগীতা করে।

03-04-2018 12:15:34 pm

ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে এক গ্লাস জল খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

৩ এপ্রিল (এ.এন.ই ): প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে এক গ্লাস জল পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এ অভ্যাসটি যদি রপ্ত করা যায় তবে অনেক ধরনের রোগ থেকে শরীরকে মুক্ত রাখা যায়। আর এজন্যই দিনের শুরুর এই এক গ্লাস জলকে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা 'স্বাস্থ্যকর', 'বিশুদ্ধ', 'সুন্দর' ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করে থাকেন। আসুন জেনে নেই সকালে খালি পেঠে জল খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে। ১. রাতে ঘুমানোর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হজম প্রক্রিয়ার তেমন কোনো কাজ থাকে না। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য অন্তত এক গ্লাস জল খেয়ে নেয়া উচিত। ২. প্রতিদিন সকালে অন্তত ১৬ আউন্স হালকা গরম জল খেলে শরীরের মেটাবলিসম ২৪% বেড়ে যায় এবং শরীরের ওজন কমে। ৩. সকালে প্রতিদিন খালি পেটে জল খেলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়। ৪. প্রতিদিন সকালে খাবার আগে এক গ্লাস জল খেলে নতুন মাংসপেশী ও কোষ গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। ৫. প্রতিদিন সকালে মাত্র এক গ্লাস জল খেলে বমি ভাব, গলার সমস্যা, মাসিকের সমস্যা, ডায়রিয়া, কিডনির সমস্যা, আর্থাইটিস, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি অসুখ কমাতে সহায়তা করে। ৬. প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে জল খেলে মলাশয় পরিষ্কার হয়ে যায় এবং শরীর নতুন করে খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে সহজেই। ৭. সকালে জলের বদলে জুস বা অন্য পানীয় না খাওয়াই শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো।

03-04-2018 12:06:33 pm

শরিরে ভিটামিন ডি এর অভাব পূরনে খাবারের তালিকা জেনে নিন

৩ এপ্রিল (এ.এন.ই ): ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়ের অসুখ, পেশিতে ব্যথা, হাই প্রেশার হরমোনের সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও কোমরে ব্যথা, সারাদিন ক্লান্তি বোধ এগুলিও লেগেই থাকে। ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, ৫টি খাবার খেলেও ভিটামিন ডি দেহে তৈরি হয়। শরীরে ভিটামিনের মাত্রা ঠিক না থাকলে সহজে রোগ বাসা বাঁধে। রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে যায় ভিটামিনের অভাবেই। সমস্ত ভিটামিনই খুব জরুরু। তার মধ্যে ভিটামিন ডি অন্যতম। ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়ের অসুখ, পেশিতে ব্যথা, হাই প্রেশার হরমোনের সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও কোমরে ব্যথা, সারাদিন ক্লান্তি বোধ এগুলিও লেগেই থাকে। ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই খাবারগুলো খেলেও ভিটামিন ডি দেহে তৈরি হয়। তেলযুক্ত মাছ বা সামুদ্রিক মাছ- মাছের তেলে ভিটামিন ডি থাকে। তাই যথেষ্ট পরিমাণে সামুদ্রিক মাছ খান। ডিমের কুসুম- ডিমেপ কুসুমেও ভিটামিন ডি থাকে। দুধ-গরুর দুধ ছাড়াও সয়া মিল্কেও ভিটামিন ডি থাকে। মাশরুম-খাওয়ার আগে অবশ্যই মাশরুম ভাল করে ধুয়ে রান্না করবেন। অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে শরীরে আরও রোগ বাসা বেঁধে থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

03-04-2018 12:01:27 pm

দুধ ছাড়াও অন্য যে সমস্ত খাদ্যে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায় তা জেনে নিন

২৯ মার্চ (এ.এন.ই ): ল্যাকটোজে অ্যালার্জি থাকে অনেকেরই ৷ অনেকেই আবার দুধ খেতে পছন্দ করেন না ৷ কিন্তু দুধে থাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম ৷ যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনী ৷ হাড়, দাঁত শক্ত করতে সাহায্য করে ক্যালসিয়াম ৷ তাই দুধ না খেলেও অন্য যেসব উপায়ে ক্যালসিয়াম পেতে পারেন তা আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন- ১। বিনস- যে কোনও ধরণের বিন জাতীয় সবজি খান ৷ এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে ৷ ২। মাছ- প্রধানত স্যামন ও সার্ডিন জাতীয় মাছে ক্যালসিয়াম থাকে ৷ ৩। আমন্ড- ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি এতে প্রচুর প্রোটিনও থাকে ৷ প্রতিদিন এক গ্লাস করে আমন্ড দুধ আপনার জন্য খুবই উপকারী ৷ ৪। ওটমিল- ব্রেকফাস্টে ওটমিল খান ৷ খুব বেশি পরিমাণে না হলেও ওটমিলেও ক্যালসিয়াম থাকে ৷ ৫। কমলালেবু- ভিটামিন সি আর ক্যালসিয়ামের দুর্দান্ত কম্বিনেশন হল কমলালেবু ৷ ৬। সবুজ শাক-সবজি- বেশিরভাগ সবুজ শাত-সব্জিতেই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ৷ ৭। ভিটামিন ডি- ভিটামিন ডি-এর অভাবে ক্যালসিয়াম কাজ করে না আমাদের শরীরে ৷ তাই ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং সূর্যালোকে বের হওয়া খুব দরকার ৷

29-03-2018 04:34:01 pm

সকালে কাঁচা ছোলার খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২৯ মার্চ (এ.এন.ই ): কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযগী ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে। এছাড়াও ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক উপকার। উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ছোলার কিছু চমকপ্রদ গুণাগুণ হল- ডাল হিসেবে : ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে : অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আঁশ, পটাসিয়াম, ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন বি-৬ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এর ডাল আঁশসমৃদ্ধ যা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায়, হৃদরোগ থেকে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯ শতাংশ কমে যায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে : আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে, যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে। রক্ত চলাচল : অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় । ক্যান্সার রোধে : কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়। আর তাই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্থ থাকুন। রমজানে : রমজান মাসে ইফতারের সময় জনপ্রিয় খাবার হলো ছোলা। আমাদের দেশে ছোলার ডাল নানাভাবে খাওয়া হয়। দেহকে করে দৃঢ়, শক্তিশালী, হাড়কে করে মজবুত, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এর ভূমিকা অপরিহার্য। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। কোলেস্টেরল : ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়। খাবারের আঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে। ডায়াবেটিসে উপকারী : ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শরীরের উপকারে আসে। রক্তের চর্বি কমায় : ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়। অস্থির ভাব দূর করে : ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়। রোগ প্রতিরোধ করে : কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে। জ্বালাপোড়া দূর করে : সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়। মেরুদণ্ডের ব্যথা দূর করে : এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।

29-03-2018 04:29:45 pm

শরিরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে কলা কিভাবে তা জেনে নিন

২৯ মার্চ (এ.এন.ই ): পুষ্টিকর খাবার হিসেবে কলা অতি পরিচিত ফল। কলা খাওয়ার অনেক উপকারও রয়েছে, যা অনেকেরই জানা নেই। বেশি করে পাকা কলা খাওয়া উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু উপকারিতার কথা। ১. কিডনি রোগ প্রতিরোধ কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করে কলার পটাসিয়াম। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কলার বিভিন্ন উপাদান কিডনির রোগ প্রতিরোধে কার্যকর। ২. ক্যান্সার প্রতিরোধ কলা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলাতে রয়েছে একটি বিশেষ প্রোটিন, যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। আর তাই ক্যান্সার প্রতিরোধে বেশি করে কলা খেতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ৩. খিঁচুনি প্রতিরোধে মিনারেলের অভাবে অনেকেরই দেহের বিভিন্ন অংশে খিঁচুনি হয়ে থাকে। এ খিঁচুনি প্রতিরোধে প্রচুর মিনারেল সমৃদ্ধ কলা খাওয়া যেতে পারে। কলার পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম এক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। ৪. বলিষ্ঠ হৃৎপিণ্ড কলা হৃদরোগ থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে। এজন্য নিয়মিত কলা খাওয়া প্রয়োজন। এছাড়া কলা উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধেও কার্যকর। ৫. রক্তনালী পরিষ্কার রক্তনালীতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় কোলস্টেরলের কারণে। কলাতে রয়েছে ফাইটোস্টেরোলস। এটি কোলস্টেরলের মাত্রা সীমিত রাখে এবং রক্তনালী পরিষ্কার রেখে সুস্থভাবে বাঁচতে সহায়তা করবে। ৬. স্বাস্থ্যকর পাকস্থলী পাকস্থলীর সুস্থতার জন্য কলা খুবই কার্যকর খাবার। তাই গ্যাস্টিক আলসারের রোগীদের কলা খাওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি পাকস্থলীর দেয়াল বৃদ্ধি করে। ৭. উদ্যম যোগায় ও ভালো মুড কলাতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান। আর এটি উদ্যম যোগাতে সহায়তা করে। কলার সাধারণ কার্বহাইড্রেট সহজে হজম হয় এবং দ্রুত শরীরে উদ্যম আনে। কলাতে রয়েছে ডোপামাইন। একে ‘সুখী হরমোন’ বলা হয়। এছাড়া রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, যা নার্ভাস সিস্টেমকে ইতিবাচক হতে সহায়তা করে। ৮. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও ওজন নিয়ন্ত্রণ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কলা খুবই সহায়তা করে। এতে রয়েছে কয়েক ধরনের ‘রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ’ যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের উন্নতিতে সহায়তা করে। সবুজ বা কাঁচা কলাতে বেশিমাত্রায় রয়েছে এ উপাদানটি। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে স্লিম ফিগার তৈরি করতে সহায়তা করে কলা। মূলত কয়েক ধরনের ফ্যাট দেহে সংরক্ষণ করতে বাধা দেয় কলা। ফলে দেহ থেকে ফ্যাট কমে যায়।

29-03-2018 04:16:57 pm

বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি

২৬ মার্চ (এ.এন.ই ) অবসর সময়ে, প্রিয়জন ও বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডায় বাদাম খাওয়ার জুড়ি নেই। অনেকে আবার স্বাস্থ্য সচেতনায়ও নিয়মিত বাদাম খেতে পছ্ন্দ করেন। তবে যে কারণেই বাদাম খাওয়া হোক না কেন তা নিঃসন্দেহে স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি। বাদামের যে বহুমাত্রিক গুণাগুণ রয়েছে তা আমাদের অনেকেই হয়তো জানি না। আবার বাদামের প্রকারভেদে গুণাগুণও ভিন্ন ভিন্ন হয়। নিচে বিভিন্ন প্রজাতির বাদামের গুণাগুণ নিয়ে আলোচনা করা হলো : চিনাবাদাম : এই প্রজাতির বাদামে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন-এ, বি, সি রয়েছে। ফলে এর উপকারিতা অনেক। যেমন: ১. প্রোটিনের ভালো উৎস। ভোরবেলা খালি পেটে বাদাম খেলে এনার্জি পাওয়া যায়। ২. নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে চিনাবাদাম বাদাম খেলে হার্ট ভালো থাকে। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আখরোট : এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ভিটামিন। উপকারিতা : ১. হাড় শক্ত করে ও ২. ব্রেনে পুষ্টি জোগায়। পেস্তাবাদাম : এই ধরনের বাদামে থাকে ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার,ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন। উপকারিতা : ১. রক্ত শুদ্ধ করে। ২. লিভার ও কিডনি ভালো রাখে। কাজুবাদাম : এর উপাদানগুলো হচ্ছে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন-এ। উপকারিতা : ১. অ্যানিমিয়া ভালো করে। ২. ত্বক উজ্জ্বল করে। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আলমন্ড : এর উপাদানের মধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফাইবার, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফলিক এসিড ও ভিটামিন ই। তাই বাদামের রাজা বলা হয় আলমন্ডকে। উপকারিতা : ১. শ্বাসকষ্ট, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ত্বকের নানা সমস্যায় খুব ভালো। সব বাদামের মধ্যে আমন্ডে বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে। ২. নিয়মিত চার-পাঁচটি আমন্ড খেলে এলডিএল কোলেস্টেরল বা ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা থাকে না। ৩. কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে। ৪. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। কেমোথেরাপি চলাকালে আলমন্ড মিল্ক খেলে ইমিউনিটি সিস্টেমের উন্নতি হয়। ৫. আলমন্ডের ফাইবার শরীরে কার্বোহাইড্রেট শোষণের গতি কমায়। ফলে ডায়াবেটিসের জন্য উপকারি। ৬. আলমন্ড বাটা নিয়মিত লাগালে বলিরেখার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন দেখবেন আস্তে আস্তে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শরীরের শক্তিমত্তাও বাড়বে। কাজে কর্মে পাবেন পূর্ণ উদ্যোম।

26-03-2018 01:45:30 pm

তরমুজের নানা উপকারিতা জেনে নিন

২৩ মার্চ (এ.এন.ই ): মৌসুমী ফল তরমুজ। তীব্র গরমে এই ফলের কাটতি থাকে চরমে। এছাড়াও তরমুজের রয়েছে নানাবিক স্বাস্থ্য গুণ। নিচে এসব নিয়ে আলোচনা করা হলো : পানিশূন্যতা দূর করে : তরমুজে প্রচুর পরিমাণ জল আছে। গরমের সময় যখন ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে জল বের হয়ে যায় তখন তরমুজ খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। ফলে শরীর থাকে সুস্থ ও সতেজ। চোখ ভালো রাখে : তরমুজে আছে ক্যারোটিনয়েড। আর তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে চোখ ভালো থাকে এবং চোখের নানান সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ক্যারোটিনয়েড রাতকানা প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। শারীরিক শক্তি বাড়ায়: টেক্সা এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটির গবষেণায় প্রমাণিত যে যারা শারীরিক শক্তির দিক থেকে দুর্বল তাদের জন্য তরমুজ প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এই ফল শারীরিক শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

23-03-2018 02:25:04 pm

নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা

১৯ মার্চ (এ.এন.ই ): শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়, আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিৎসাতেও কালোজিরার ব্যবহার হয়। কালোজিরার বীজ থেকে একধরণের তেল তৈরি হয়, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে আছে ফসফেট, আয়রন এবং ফসফরাস। এছাড়াও কালোজিরা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। জেনে নিন, নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্ক- ১. নিয়মিত পেট খারাপের সমস্যা থাকলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে ভাল ফল পাওয়া যায়। ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। ৩. যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে। ৪. প্রচণ্ড সর্দি হয়ে মাথা যন্ত্রণা হলে কালোজিরা কাপড়ে বেঁধে শুঁকতে হবে। তবে কাপড়ের মধ্যে নেওয়ার আগে তা ধুয়ে নিতে হবে। তাতে গন্ধ বের হয় এবং উপকার হয়। ৫. প্রচন্ড মাথা ব্যথাতে কালোজিরে বেটে কপালে প্রলেপ দিলে ও মিহি গুঁড়োর নস্যি নিলে উপকার হয়। ৬. কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়। ৭. কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে করে কালোজিরা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে। ৮. স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরে খুব কার্যকর। ৯. পরিমাণমতো কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়। ১০. শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।

19-03-2018 02:59:10 pm

ঘরোয়া পদ্ধতিতে দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাবার সহজ উপায় জেনে নিন

১৯ মার্চ (এ.এন.ই ): দাঁতের যথাযথ যত্ন ও সুরক্ষার অভাবে অনেক সময় দেখা দেয় দাঁতের সমস্যা। আর তখনই শুরু হয় ব্যথা। আবার দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন ধরণের সমস্যার কারণেও হতে পারে এ দাঁত ব্যথা। যেমন- ক্যাভিটি, মাড়ির সমস্যা, দাঁতে ইনফেকশন, দাঁত দিয়ে রক্ত পরা, দাঁতের গোঁড়া আলগা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।যেকোনো ব্যক্তির যেকোনো সময় দেখা দিতে পারে এ সমস্যা। তবে এতে চিন্তার কিছু নেই। কারণ ঘরোয়া উপায়ে সহজেই দাঁত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেই সেই উপায়গুলো সম্পর্কে। ১. পেঁয়াজ পেঁয়াজের অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান দাঁতের জীবাণু নষ্ট করে দাঁতের ব্যথা উপসম করে। প্রথমে দাঁতের ব্যথার জায়গাটা খুঁজে বের করুন। এবার একটি পেঁয়াজ আক্রান্ত জায়গার কাছাকাছি নিয়ে চাবান। আর যদি চিবোতে না পারেন এক টুকরা পেঁয়াজ কেটে নিয়ে আক্রান্ত জায়গায় রাখুন, দেখবেন ব্যথা কমে যাবে। ২. পেয়ারা পাতা দাঁতের ব্যথায় আরাম পেতে পেয়ারা পাতা আরো একটি উপকারী উপাদানের নাম। দুই থেকে তিনটা কচি পেয়ারা পাতা মুখে নিয়ে পরিষ্কার জলে ধুয়ে চিবোতে থাকুন যতক্ষণ না সেটি দাঁতের ব্যথায় কাজ শুরু না করে। আবার কয়েকটা পেয়ারা পাতা নিয়ে খানিকটা জল দিয়ে তা সিদ্ধ করুন। এরপর জল ঠাণ্ডা করে ওই জল দিয়ে কুলকুঁচি করুন। ৩. রসুন রসুনের এন্টিবায়োটিক উপাদান ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকরি উপাদান দাঁতের সংক্রমণ জনিত ব্যথায় দারুন কাজে দেয়। একটি রসুন ভেঙ্গে তাতে কিছুটা লবণ মাখিয়ে আপনার আক্রান্ত দাঁতের গোঁড়ায় লাগিয়ে দেখুন দাঁতের ব্যথায় আরাম পাবেন। ৪. উষ্ণ লবণ জল একগ্লাস বেশ গরম পানিতে খানিকটা লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। দেখবেন দাঁতের শিরশির ভাব ও ব্যথা কমে যাবে। কেননা গরম জল আর লবণের কার্যকারিতায় দাঁতের টিস্যুগুলো সচল হয়ে উঠে আর সব জীবাণু তাদের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ৫. মরিচ ও লবণ দাঁতে যখন খুব বেশী স্পর্শকাতরতা আর টনটনে ব্যথা হয় তখন লবন আর মরিচ আপনাকে আরাম প্রদান করতে পারে। সমপরিমাণ লবণ আর মরিচ নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা জল দিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এই পেস্ট আপনার দাঁতে সরাসরি লাগান। পরপর কয়েকদিন এভাবে লাগালে দাঁতের ব্যথা কমে যাবে।

19-03-2018 02:54:42 pm

গ্যাস্ট্রিক সহ নানান সমস্যা দূরে করে আদা চা

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): আদা চায়ের গুণাগুণ অনেক। যারা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য আদা চা-ই পারফেক্ট। আদা চায়ের উপকারি গুণের কারণে এর রয়েছে অনেকগুলো স্বাস্থ্যকারী দিক। আদা চা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শীতে এককাপ আদা চা আমাদের শরীরকে গরম করে আর ঠাণ্ডা লাগা এবং সর্দি কাশি থেকে দূরে রাখে। সারাদিনের কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি দূর করতে এককাপ ধোঁয়া ওঠা আদা চা আপনার ক্লান্তিকে রাখবে দূরে আর করে তুলবে সতেজ। বমি বমি ভাব হচ্ছে? এক কাপ আদা চা হতে পারে ভালো সমাধান। কোথাও যাওয়ার আগে কয়েক চুমুক আদা চা খান। উপকার পাবেন। আদা চা হজমশক্তি বাড়ায়। এটি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমস্যা দূর করে হজমে সাহায্য করে। এক কাপ আদা চা শরীরের রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। এতে করে শরীরের নানা অংশে রক্তপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে থাকে। শ্বাস নিতে কষ্ট দেখা দিলে এক কাপ আদা চা খেতে পারেন। বেশ উপকারী বন্ধু হিসেবেই কাজ করবে এটি।

15-03-2018 02:22:08 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.