• প্রতাপগড় বিধানসভা কেন্দ্রে ব্যাপক রাজনৈতিক সংঘর্ষ
  • এডিসি স্কুলগুলিতে মিড-ডে-মিল চালাতে নাভিশ্বাস শিক্ষকদের
  • দেহ ব্যবসা ও নেশার ঠেক থেকে এক পাণ্ডা সহ দুই খদ্দের ও দুই ছিনতাইবাজ গ্রেপ্তার
  • সরকারের বঞ্চনার শিকারে দ্বিধা বিভক্ত রেগা কর্মচারীরা
  • রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে কর্মী তালিকা বানাতে বেকাদায় এসপি'রা
  • সদরের পর ভোটার তালিকার জালিয়াতির অভিযোগ উঠল জিরানিয়ায়
  • ৭০ বছরের এক বৃদ্ধার লালসায় শিকার নাবালিকা
  • রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার
  • বিশালগড়ে এক ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি, তদন্তে পুলিশ
  • বাইখোরা এলাকায় গণধর্ষণের শিকার নাবালিকা মামলা নিয়ে পুলিশের গড়িমসি
  • ডাল কেলেঙ্কারি টেন্ডার ছাড়াই ৫০ কোটি টাকার ক্রয় বাণিজ্য
  • মদ বিরোধী অভিযানে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ, উত্তপ্ত ড্রপগেইট এলাকা
  • রাজ্যের সাংবাদিকদের নতুন এক্রিডিটেশন পলিসি গঠনের সুপারিশ
  • আইজিএম হাসপাতাল চত্বরে নেশা সামগ্রী সহ ধৃত এক যুবক
  • ডিসিএম'র বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
  • বিতর্কিত নাগরাজ ফের ডিজি?
  • পানীয় জলের দাবিতে আমবাসা-গণ্ডাছড়া সড়ক অবরোধ
  • ভোটার তালিকায় ভুয়ো প্রমাণপত্র দিয়ে নাম তোলার চেষ্টা অভিযোগ মহকুমা প্রশাসনের
  • দীর্ঘ ১৭ বছর পর ঘরে ফিরল নিলুবধূ
  • ২৫শে নভেম্বরের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রাধানগরের দ্বিতীয় সেতুটি, ভোটের আগে উদ্বোধন অনিশ্চিত উড়াল পুলের
  • আগরতলায় কৃষক জমায়েতের ডাক দিয়েছে বিজেপি
  • এটিটিএফ সুপ্রিমোর গ্রেপ্তার ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি'র
  • চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের গ্রেপ্তার চেয়ে সিবিআইএর কাছে বিজেপি'র চিঠি
  • এটিটিএফ সুপ্রিমোর গ্রেপ্তার ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি'র
  • চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের গ্রেপ্তার চেয়ে সিবিআইএর কাছে বিজেপি'র চিঠি

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

স্বাস্থ্য

আপনি কি গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে গ্যাসের সমস্যার সমাধান জেনে নিন

২০ নভেম্বর (এ.এন.ই ): গ্যাসের সমস্যায় কখনও ভোগেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুস্কর। আসলে ছুটে চলা ব্যস্ত জীবন আর অগোছালো লাইফস্টাইলের কবলে পড়েছে মানুষ। আর তারই ফলশ্রুতি এই সব সমস্যা। কিন্তু একটু সতর্ক থাকলেই গ্যাসের সমস্যাকে জীবন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা যায়। গ্যাসের সমস্যার সমাধানে রইল অব্যর্থ কয়েকটি পরামর্শ- ১। খাবার ভাল করে চিবিয়ে খান। শুনতে যতই অবাক লাগুক, অনেক সময়ই আমরা ভাল করে চিবিয়ে খাই না। আর তার থেকে শুরু হয় বড় সমস্যা। তাই খাওয়ার সময় ধীরে ধীরে খান। ভাল করে চিবিয়ে খান। খাওযার সময়ে ফোনে কথা বলা বা টেলভিশন দেখা থেকে বিরত থাকুন। ২। একবারে বেশি না খেয়ে বারে বারে অল্প করে খান। সহজে হজম হবে। গ্যাসের সমস্যা হবে না। ৩। যদি দেখেন পেটে গ্যাস জমে রয়েছে, তা হলে অবশ্যই খানিকটা হেঁটে আসুন। দেখবেন গ্যাস বেরিয়ে গিয়ে অনেকটা স্বস্তি বোধ করবেন। ৪। কার্বনেটেড ড্রিঙ্ক খাওয়া একেবারেই ছেড়ে দিন। এই ধরনের পানীয়তে কার্বন ডাই অক্সাইড থাকার ফলে বুদবুদ সৃষ্টি হয়ে গ্যাস তৈরি করতে পারে। ৫। লক্ষ করে দেখুন কোনও বিশেষ খাবার খাওয়ার ফলে গ্যাস হচ্ছে কি না। যদি কোনও খাবারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে পারেন, তা হলে সেই খাবারকে বর্জন করে দেখুন। ৬। পেটে গ্যাস হওয়া কমাতে পোশাকের দিকেও নজর দেওয়া দরকার! খুব আঁটোসাঁটো পোশাক পরলে খাওয়ার পরে অস্বস্তি হবে। তা ছাড়া শরীরের মধ্যে গ্যাস চলাফেরা করতে না পেরে এক জায়গায় জমে গিয়ে বিপত্তির সৃষ্টি করবে। ৭। কথা বলা বা খাওয়ার সময়ে বাইরের বায়ুও শরীরে প্রবেশ করে। এর ফলেও গ্যাস জমে শরীরে। সেই কারণে ধুমপান করলে বা খুব বেশি চুইং গাম খেলে শরীরে বাতাস ঢুকে যায়। তাই এগুলি এড়িয়ে চলা দরকার। ৮। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এতে শরীরের সব অঙ্গই সচল থাকে। হজমে সাহায্য করে। ফলে গ্যাস জমতে পারে না।

20-11-2017 03:58:48 pm

যে কারণে হার্ট অ্যাটাকের আক্রান্তদের মধ্যে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যাই বেশি জেনে নিন

১৫ নভেম্বর (এ.এন.ই ): হার্ট অ্যাটাক এক নীরব ঘাতক। যে কেউ যেকোনো সময় এর শিকার হতে পারেন। সাধাররণত জীবনযাপনে অনিয়ম হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। কিন্তু এবার গবেষকরা বলছেন, প্রায় একশ হার্ট অ্যাটাকের মধ্যে একটি যৌনতার কারণে হয়ে থাকে। তবে এ-ধরনের আক্রান্তদের মধ্যে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যাই বেশি। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি গবেষণা করেছেন সিডার্স-সিনাই মেডিক্যাল সেন্টার হার্ট ইনস্টিটিউটের গবেষকরা। তারা এ গবেষণার জন্য হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত ৪৫২৫ রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করেন। এতে তারা দেখেছেন প্রায় দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ রোগীর হার্ট অ্যাটাকের কারণ ছিল যৌনতা। অন্যদিকে দশমিক শূন্য এক শতাংশ নারী রোগীর হার্ট অ্যাটাকের কারণ ছিল যৌনতা। অবশ্য যৌনতার সময় সবাই হৃদরোগে আক্রান্ত হননি। ৫৫ শতাংশ ব্যক্তি সরাসরি যৌনতার সময় হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। অন্যদিকে যৌনতার ১৫ মিনিট সময়ের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন বাকিরা। গবেষকরা বলছেন, আগে থেকে যাদের হৃদরোগ আছে তারাই যে শুধু যৌনতার কারণে হঠাৎ করে হৃদরোগে আক্রান্ত হন, তা নয়। যে কেউ হঠাৎ যৌনতার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন। হার্ট অ্যাটাকের সঙ্গে হৃদরোগের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। হার্ট অ্যাটাকে হঠাৎ হৃৎপিণ্ড গণ্ডগোল শুরু করে এবং বিট করা বন্ধ করে দেয়। অনেকেই এতে অজ্ঞান হয়ে যান এবং আরো জটিল পরিস্থিতির তৈরি হয়। তবে হৃদরোগ রক্তচলাচলে প্রতিবন্ধকতা থেকে শুরু করে আরো বহু বিষয়ে হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ এ গবেষণাটি করেছেন ড. সুমিত চুগ। তিনি সিডার্স-সিনাই হার্ট ইনস্টিটিউটের গবেষক। তিনি বলেন, যৌনতার সঙ্গে হৃদরোগের সম্পর্ক নির্ণয় করার ক্ষেত্রে এটি প্রথম গবেষণা। এ বিষয়ে গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অব দ্য আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজিতে। এ ছাড়া আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাতেও এটি উপস্থাপিত হবে।

15-11-2017 04:37:40 pm

মানবদেহে গুঁড়ের নানান উপকারিতা জেনে নিন

১৫ নভেম্বর (এ.এন.ই ): শীত চলে এসেছে। এবার ঘরে ঘরে নতুন গুঁড়, ঝোলা গুঁড়ের দেখা পাওয়া যাবে। আর শীত মানেই পিঠে পুলির পার্বণ। তাই যুগলবন্দীতে গুঁড়ের দেখা তো পেতেই হবে। তবে, মুশকিলটা হচ্ছে, আমরা সকলেই প্রায় গুঁড় খাই বছরের এই একটা সময়। যদিও, গুঁড় কিনে রেখে দিলেও মাসের পর মাস ভাল থাকে। আমাদের ধারণা, গুঁড় দিয়ে পিঠে, পুলি, পায়েস আর নাড়ু তৈরি করা যায়। তাই বছরের বাকি সময় গুঁড় নিয়ে আমাদের তেমন মাথাব্যাথা থাকে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক গুঁড়ের নানা গুণ সম্পর্কে- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে: গুড়ের মিষ্টি এড়িয়ে যাচ্ছেন? ভাবছেন যে অতি মিষ্টি খেলে তো কোষ্ঠকাঠিন্য হতেই পারে। আসলে তা কিন্তু নয়। গুড়ের মিষ্টিতে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। উল্টে এই সমস্যা থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করবে গুঁড়। এর কারণ গুড় শরীরে হজম করার জন্য দায়ি উৎসেচকের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। ফলে পেট খুব তাড়াতাড়ি পরিষ্কার হয়ে যায়। লিভার ভাল রাখে: গুড় খেলে লিভারের কাজ ভাল ভাবে হয় এবং লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। গুড় লিভার থেকে ক্ষতিকারক উপাদান বার করে দিতে সাহায্য করে এবং এতে লিভারের পাশাপাশি শরীরও ভাল থাকে। তাই একটুকরো গুড় খেলে শরীর সুস্থ থাকে। জ্বর, সর্দি-কাশির হাত থেকে রক্ষা করে: শীতকাল বা বর্ষাকালে ঘরে ঘরে ঠাণ্ডা লেগে সর্দি, কাশি, জ্বর হতেই থাকে। এই ধরণের সমস্যাকে দূর করতে গুড়ের জুড়ি মেলা ভার। গরম পানির সঙ্গে গুড় মিশিয়ে পান করলে এই ধরণের সমস্যা দূর হয়। এছাড়াও, চায়ের মধ্যে চিনি না মিশিয়ে গুড় মিশিয়ে পান করলেও উপকার পাওয়া যায়। রক্ত পরিশোধন করে: গুড় খাওয়ার সব থেকে বড় উপকার হল, এটি রক্ত পরিশোধন করতে ভীষণভাবে সাহায্য করে। নিয়মিত গুড় খেলে রক্ত পরিষ্কার হয় এবং শরীর সুস্থ থাকে। গুড় যেহেতু সরাসরি আখের রস বা খেজুরের রস থেকে সরাসরি তৈরি করা হয়, তাই এটি শরীরের কোনও ক্ষতি করে না। উল্টে শরীরের যত্নে দারুন উপকারি ভুমিকা পালন করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে: গুড়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এছাড়াও থাকে জিঙ্ক এবং সেলেনিয়াম। এরফলে, গুড় শরীরকে বিভিন্ন জীবাণু এবং সংক্রমক রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়াও, গুড় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাই গুড় শুধু শরীরকে ভিতর থেকেই নয়, বাইরে থেকে সুস্থ এবং সবল রাখতে পারে। শরীরকে ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখে: গুড় এমন এক খাদ্য, যা শরীরকে প্রাকৃতিক উপায়ে ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এই কারণে, বহু চিকিৎসক শরীরকে সুস্থ রাখতে গুড় খাওয়ার পরামর্শ দেন। আসলে গুড় খেলে শরীরের ভিতর থেকে বিষাক্ত উপাদান বেড়িয়ে যেতে পারে। এটি যেমন শ্বাসনালীকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। তেমনই ফুসফুস, অন্ত্র এবং পেটে এবং খাদ্যনালী পরিষ্কার রাখতে পারে। যারা কয়লা খনি, দূষণ বা ধুলো বালির মধ্যে কাজ করেন, তাদের জন্য গুড় অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ঋতুস্রাবকালীন পেটে ব্যাথা দূর করে: গুঁড়ের মধ্যে যে কত রকমের পৌষ্টিক উপাদান রয়েছে, তা তো আগেই বলা হয়েছে। তাই শরীরকে সুস্থ রাখতে এটি খুবই সাহায্য করে। একইসঙ্গে, গুঁড় দারুণ কাজ করে ঋতুস্রাবকালীন পেটে ব্যাথা দূর করতে এবং পেতে খিঁচ ধরে ব্যাথা হওয়াও রোধ করতে পারে। ঋতুস্রাবের আগে সবথেকে বেশি মানসিক সমস্যা হয়। এই ধরণের উপসর্গকে বলা হয় প্রিমেন্সট্রুয়াল সিন্ড্রোম। এই সমস্যা রোধ করতেও গুঁড় দারুণ কাজ করে। রক্তাল্পতা কমায়: গুঁড়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আইরন এবং ফোলেট থাকে, যা রক্তের মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে। গুঁড় সব থেকে বেশি উপকার করে গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে। তাই এমনি সময় হোক বা গর্ভবতী অবস্থায় হোক, গুঁড় খাওয়া নারীদের জন্য খুবই উপকারি এবং স্বাস্থ্যকর। পেটের স্বাস্থ্য বজায় রাখে: গুঁড় পেটের নানারকম রোগ এবং তার কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। কারণ গুঁড়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। প্রতি ১০ গ্রাম গুঁড়ের মধ্যে ১৬ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম থাকে। ফলে নিয়মিত গুঁড় খেলে দৈনিক খনিজের চাহিদা ৪ শতাংশ হারে পূরণ হয়। পেট ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে: গরমকালে কাজ থেকে বাড়ি ফিরে এলেই গুঁড়ের বাতাসা ভেজানো পানি বা গুঁড়ের সরবত অনেকেই পান করেন। বর্তমানে এই রকম দৃশ্য অনেকটা কমে এলেও কেন অনেকেই এগুলো মেনে চলেন। আসলে দীর্ঘক্ষণ বাড়ির বাইরে রোদের মধ্যে বা গরমের মধ্যে থাকলে শরীর গরম হয়ে ওঠে। এমনকি, পেটের গণ্ডগোলও দেখা যায়। এই অবস্থায় গুঁড়ের সরবত খুবই কাজে দেয়। কারণ, গুঁড়ের সরবত শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে।

15-11-2017 04:31:16 pm

ডাইবেটিসে নিয়ন্ত্রণে যে সমস্ত ফল খাওয়া উচিৎ জেনে নিন

১৫ নভেম্বর (এ.এন.ই ): ডায়াবেটিস রোগ হলে অনেকেই বুঝতে পারেন না কি খাবেন আর কি খাবেন না। বিশেষ করে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে নানান রকম দ্বিধা দ্বন্দ্ব কাজ করে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে। কোন ফলটি খাওয়া যাবে, কোনটি খাওয়া যাবে না, কোনটি খেলে ডায়াবেটিসের জন্য উপকার হবে ইত্যাদি নানান চিন্তায় ফল খাওয়াই ছেড়ে দেন অনেক ডায়াবেটিস রোগী। চিকিৎসকের পরামর্শে তা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নিষ্কৃতি পাওয়া প্রায় অসম্ভব। রক্তে শর্করার মাত্রা সামলাতে আমূল পরিবর্তন ঘটাতে হয় প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে খেতেই হবে এই ৬টি ফল। আপেল আপেলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর ফাইবার। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কম করতে ভালো কাজ দেয় এই ফাইবার। আপেলের মধ্যে রয়েছে পেকটিন। এটি ব্লাড সুগার কম করতে সাহা‌য্য করে। বেরি গ্লুকোজ ভেঙে তাকে শক্তিতে পরিণত করার ক্ষমতা রয়েছে বেরির। ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে। পাশাপাশি রেরির মধ্যে থাকা একটি উপাদান ইনসুলিন ক্ষরণেও সাহা‌য্য করে। ফলে দেহে ইনসুলিন ক্ষরণ স্বাভাবিক রাখে। পেয়ারা ডায়াবেটিস রোগীদের একটি বড় সমস্যা হল কোষ্ঠকাঠিন্য। পেয়ারার মধ্যে প্রচুর ফাইবার থাকে। এই ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কম করতে সাহা‌য্য করে। পাশাপাশি রোগীকে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের হাত থেকে রক্ষা করে। পেঁপে পেঁপের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি খুবই উপকারী। রক্তে গ্রুকোজের মাত্র বেড়ে গেলে রোগীর হার্ট, নার্ভের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে ‌যায়। নিয়মিত পেঁপে খেলে তা কিছুটা রুখে দেওয়া ‌যায়। জাম ডায়াবেটিসে জাম বিশেষ উপকারী। জামের মধ্যে থাকা একটি বিশেষ উপাদান খাবারের স্টার্চকে ভেঙে দেয়। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিক থাকে। সুগার রোগীদের ঘনঘন প্রস্রাব ও তৃষ্ণার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। আমলকি ক্রোমিয়ামের একটি বড়সড় উৎস হল আমলকি। অগ্নাশয়কে সুস্থ রাখতে ক্রেমিয়াম খুবই উপকারী।

15-11-2017 04:27:01 pm

শরীরে বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধক মাশরুম

১১ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): যৌবন ধরে রাখতে চান। কিন্তু অনেক টাকা খরচ করেও লাভ মিলছে না। দরকার নেই অত খরচ করার। অল্প দামে বাজার থেকে কিনে আনুন মাশরুমের প্যাকেট। সবজি করে, স্যালাডে, স্যুপে, যেভাবে হোক খেতে শুরু করুন নিয়মিত। ফল মিলতে শুরু করবে খুব দ্রুতই। পেন স্টেটের বিশেষজ্ঞরা নতুন গবেষণায় জানতে পেরেছেন, মাশরুমে আছে প্রচুর পরিমাণে এরগোথিওনিন এবং গ্লুটাথিওনের মতো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা বয়স ধরে রাখার অব্যর্থ ওষুধ। অধ্যাপক গবেষক রবার্ট বিলম্যান জানান, তারা প্রায় ১৩টি প্রজাতির মাশরুম পরীক্ষা করেছেন। তার মধ্যে পোরসিনি প্রজাতিতে এরগোথিওনিন এবং গ্লুটাথিওন দুটি যৌগিক পদার্থই আছে বেশি পরিমাণে। তিনি আরও বলেন, সাধারণত বাজারে মেলা পাটন মাশরুমে অন্য প্রজাতির থেকে কম অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকলেও অন্যান্য সবজির থেকে তা যথেষ্ট পরিমাণেই বেশি। আর মাশরুম অত্যধিক তাপে রান্না করলেও এর গুণাগুণ একটুও কমে না। ফলে যেভাবে হোক খাওয়া যায় এই খাদ্যটি। গবেষণায় আরও জানা গেছে, একইসঙ্গে মাশরুম পার্কিনসন্স, অ্যালঝাইমার্স, ক্যান্সার, হৃদরোগের মতো রোগেরও প্রতিকারক হিসেবে অত্যন্ত কার্যকর। সেজন্যই ফ্রান্স, ইতালির মতো দেশ, যেখানে মাশরুমের বিভিন্ন পদ জনপ্রিয় সেখানে পার্কিনসন্স, অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগের প্রকোপ আমেরিকার থেকে অনেকটাই কম।

11-11-2017 01:55:29 pm

শরীর কে সুস্থ রাখার পাঁচটি নিয়ম জেনে নিন

১১ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): সুস্থ থাকতে কে না চান। কিন্তু থাকতে পারেন কজন? ফলে শরীরে নানা রোগ এবং সমস্যা দেখা দেয়। ধীরে ধীরে শরীরের রোগ বাসা বাঁধে মনেও। আমরা অসুস্থ হই মূলত খাদ্যাভ্যাসের সমস্যায় এবং অসময়ে ঘুম এবং শরীর চর্চা না করার কারণে। তাই সুস্থ থাকতে আমাদের সঠিক ভাবে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত। আর তার জন্য মেনে চলতে হবে কতগুলি নিয়ম। যেমন... ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন: শরীরের ওজন সঠিক থাকলে অনেক রকম রোগই বাসা বাঁধতে পারে না। এই কারণে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা খুবই জরুরি। প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম বা জিম করলে একটু একটু করে অনেকটাই ওজন কমিয়ে ফেলা যায়। তাছাড়া ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে হার্ট ভাল থাকে। তাই তো ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবার আগে আমাদের খাদ্যাভ্যাসে অনেক পরিবর্তন আনা উচিত, যেমন- প্রতিদিন বেশি করে ফল, সবজি, শস্যদানা খেতে হবে। শরীরকে আদ্র রাখুন: মানুষের শরীরের ৬০ শতাংশ তৈরি হয় জল দিয়ে। এই কারণে পরিমিত হারে জল পান করলে শরীর সুস্থ এবং আদ্র থাকতে পারে। পরিমিত জল পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বেড়িয়ে যায়। ফলে শরীরে সহজে কোনও রোগ বাসা বাঁধতে পারে না। কারণ যে খাবার হজম হয় না সেই খাবারই আমাদের শরীরে ফ্যাট, বিষাক্ত উপাদান জমা করতে সাহায্য করে। ফলে দিনে দিনে নানারকমের রোগ আমাদের শরীরে দেখা দেয়। তাই নিজেকে সুস্থ রাখতে জল পান করা একান্ত জরুরি। যোগব্যায়াম: বহু প্রাচীনকাল থেকেই ভারতবর্ষে যোগ চর্চা করা হয়। বর্তমানে শুধু ভারতবর্ষ নয়, সারা পৃথিবীতেই যোগ ব্যায়াম অতি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। যারা নিয়মিত যোগ চর্চা করেন, তারা শরীর এবং মনের দিক থেকে ভীষণভাবেই সুস্থ থাকেন। এর কারণ যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি হয়, সেই সঙ্গে ভাল অভ্যাস গঠন করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, নিয়মিত যোগ করলে শরীর সুস্থ এবং ফুরফুরে থাকে। অন্যদিকে শরীরের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করতে, মাংসপেশি সচল রাখতে এবং ওজন কমাতেও যোগ ব্যায়াম ভীষণভাবে সাহায্য করে। প্রাতরাশ করুন: সুস্থ থাকতে প্রাতরাশ মিস করা কোনও মতেই চলবে না। কারণ এটি সারাদিনের জন্য শরীরের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। প্রাতরাশ না করলে পিত্ত দোষ হতে পারে, যা মন এবং শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আর এমনটা হলে শরীর যে সুস্থ থাকতে না, তা কী আর বলে দিতে হবে। প্রসঙ্গত, প্রাতরাশ করার সময় নিয়ম মেনে ফল, সবজি ইত্যাদি খাওয়া উচিত। এতে হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটবে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বেরিয়ে যাবে। এছাড়াও, প্রাতরাশ করলে শরীরে এনার্জি বৃদ্ধি পাবে। পর্যাপ্ত ঘুম: শরীর সুস্থ রাখতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠা উচিত। সময় ধরে ঘুমালে শরীর ভাল থাকে। সবথেকে বড় কথা আমাদের স্নায়ুবিক নানা রোগ প্রতিরোধ করার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে ঘুমানো খুবই দরকার। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, হার্টের সমস্যা হতে পারে না। এছাড়াও ভাল ঘুম হলে আমাদের চিন্তাশক্তির উন্নতি ঘটে। এগুলি নিয়মগুলি মেনে চললে শরীর সুস্থ তো থাকবেই, সেই সঙ্গে মনও চাঙ্গা হয়ে উঠবে। তাই তো আজ থেকেই নিজেকে ভাল রাখতে জীবনযাপন করুন নিয়ম মেনে।

11-11-2017 01:51:45 pm

পানিফল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও ক্যানসার রোগের প্রতিরোধক

১১ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): দেশে একসময় পানিফলের ব্যাপক কদর থাকলেও তা এখন অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। হয়তো আগের মত এখন আর এটি সহজলভ্য নয় অথবা এটির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন অনেকে। আপেল, কমলালেবুর মতো আদরের না হতে পারে, কিন্তু তাই বলে পানিফল মোটেই হেলাফেলার নয়। পেটের রোগ থেকে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ। সবক্ষেত্রে দারুণ কাজ দেয় এই ফল। এমনকি এতে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক গুণও। ১০০ গ্রাম পানিফলে ৪৮.২ গ্রাম পানি থাকে। প্রোটিন থাকে ৩.৪ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেডের পরিমাণ ৩২.১ গ্রাম। আর ফ্যাট থাকে মাত্র ০.২ গ্রাম। রয়েছে ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম। শরীর ঠাণ্ডা করতে পানিফলের জুড়ি নেই। শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে দারুণ কাজ দেয় এই পানিফল। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর পানিফল। অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি ভাইরাল গুণ রয়েছে এই ফলের। এমনকি অ্যান্টিক্যানসার হিসেবেও কাজ করে পানিফল। বমিভাব, হজমের সমস্যা দূর করতে পানিফলের জুড়ি নেই। অনিদ্রা, দুর্বলতা দূর করতে কাজে দেয় এই ফল। পানিফল ঠাণ্ডালাগা, সর্দিতেও স্বস্তি দিতে পারে। ব্রঙ্কাইটিস, অ্যানিমিয়া কমাতে পারে এই ফল। পটাশিয়াম থাকায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভাল কাজ করে পানিফল। ত্বক উজ্জ্বল আর সতেজ রাখতেও পানিফল অনবদ্য। পটাশিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন B, ভিটামিন E ভরপুর পানিফল চুল ভালো রাখে।

11-11-2017 01:46:32 pm

কোন কোন খাবার গুলি পর পর খাওয়া উচিৎ নয় জেনে নিন

৯ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): অনেকে বলে থাকেন, শরীরে কোন কাটা-ছেঁড়ার পর টক খাওয়া ঠিক নয়। কারণ টক খেলে ক্ষত বাড়বে, যদিও এটি ঠিক নয়। আবার কেউ বলে থাকেন, ফল খাওয়ার পরে জল খাওয়া উচিত নয়। এ কথাটা ঠিক। কারণ, ফল খাওয়ার পর এটা হজম হতে সময় লাগে। আর হজমে যেন অসুবিধা না হয়, সে জন্য যেকোনো ফল খাওয়ার পর জল না খাওয়াটা ভালো। আরও জেনে নিন- * সকালের খাবারের পরই চা পান করা ঠিক নয়। ভরপেট সকালের খাবার খাওয়ার পরে চা খেলে কিডনিতে সমস্যা হয়। সকালের খাবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর চা পান করা উচিত। * কলা এবং দুধ: কলা এবং দুধ একসঙ্গে সবাই খাই ঠিকই, কিন্তু এতে বিষক্রিয়া সম্ভাবনা প্রচুর। * মাংস এবং আলু: মাংসের সঙ্গে ম্যাসড আলু খেলেই বিপদ। কেন না ফাইবারের স্বল্পতায় শরীরে নানা রকম ক্ষতিকারক প্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে। * ডিম এবং বেকন: ডিমে রয়েছে হাই প্রোটিন আর বেকনে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট। যা এক সঙ্গে খেলে হজম হতে বেশ সমস্যা দেখা দেয়। এমনকী শরীর থেকে বেমালুম এনার্জি উধাও হয়ে যেতে পারে। * বার্গার এবং ভাজাভুজি: বার্গারের সঙ্গে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই-ই খাওয়া হয় সাধারণত। ডুবো তেলে ভাজার কারণে এই দুই খাবার একসঙ্গে খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি রক্তচাপ এক ধাক্কায় অনেকটাই কমিয়ে দেয়। * পিৎজা এবং সোডা: পিৎজায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তার সঙ্গে সোডা জাতীয় পানীয় গ্রহণ করা হলে মুশকিলে পড়তে পারেন। কেন না সোডায় প্রচুর পরিমাণে সুগার থাকে। যার জেরে হজমে বেশ সমস্যা দেখা যেতে পারে। * অলিভ অয়েল এবং বাদাম: বাদামে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। আর অলিভ অয়েলে ফ্যাট। যা হজমে বেশ সমস্যা করতে পারে। শরীর বিগড়েও যেতে পারে। * মাফিন এবং জুস: মাফিনে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট। তার সঙ্গে জুস খেলে শরীরে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এই কারণে রক্তচাপ বেশ বেড়ে গিয়ে গোল বাধে। * টোমেটো এবং পাস্তা: পাস্তা প্রচণ্ড ভারী খাবার এবং টোমেটোর মধ্যে অ্যাসিডিক উপাদানও ভরপুর। দুইয়ে মিলে শরীর বিগড়ে যাওয়ায় প্রভূত সমস্যা রয়েছে।

09-11-2017 02:37:42 pm

ফ্রিজের দরজায় ডিম রাখা ঠিক না ভুল কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা জেনে নিন

৯ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ৯০ জন এই ভুল কাজটা করে থাকেন। আর এই কারণে তাদের শরীরকেও যে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হয়, সে বিষযে কোনও সন্দেহ নেই! একাধিক গবেষণায় একথা প্রণামিত হয়েছে যে ফ্রিজের দরজার যে অংশে ডিম রাখার ব্যবস্থা করা হয়, সেখানে ভুলেও ডিম রাখা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, রেফ্রিজারেটরের এই অংশে চাপমাত্রা মারাত্মকভাবে ওঠা-নামা করে। যে কারণে ডিম খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তো থাকেই। সেই সঙ্গে নানাবিধ ব্যাকটেরিয়া আক্রামণে ডিম খারাপ হয়ে যায়। এসব ডিম খেলে শরীরের যে কী হাল হতে পারে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না। সেই কারণে এবার থেকে ভুলেও ফ্রিজের দরজায় ডিম রাখবেন না। পরিবর্তে একটি এয়ার টাইট পাত্রে ডিম রেখে তা ফ্রিজের পেটের ভিতরে রাখবেন। এমনটা করলে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় ডিমগুলো থাকবে। ফলে সেগুলো খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমবে। প্রসঙ্গত, আরও কতগুলো বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেমন- রান্না করা ডিম ভুলেও ৩-৪ দিনের বেশি ফ্রিজে রাখা চলবে না। এর বেশি সময় ফ্রিজে রেখে সেই খাবার খেলে শরীর খারাপ হতে পারে। আর কাঁচা ডিম কখনই ৩০ দিনের বেশি রেখে খাবেন না। এই নিয়মগুলো মেনে ফ্রিজে ডিম রাখলে খাবারটির শরীরে উপস্থিত একাধিক উপকারী উপাদান, যেমন- ভিটামিন-এ, ভিটামিন বি২, বি১২, বি৫, ভিটামিন ডি, ই, বায়োটিন, কোলিন, ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রন একেবারে ঠিক ঠিক অবস্থায় থাকবে। ফলে এমন ডিম খেলে নানাভাবে শরীরের উপকারও হবে।

09-11-2017 02:32:15 pm

খালি পেটে রসুন খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিকারিতা জেনে নিন

৯ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): রসুনের প্রাকৃতিক গুণের কথা কমবেশি আমাদের সবারই জানা। তবে অনেকেই এটি খেতে পারেন না বা খেতে অস্বস্তি অনুভব করেন। বলা হয়ে থাকে, সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে রসুন বিশেষ করে কাঁচা রসুন গ্রহণ বেশ উপকারী। তবে অনেকেই খালি পেটে খেতে পারেন না। তাহলে যেভাবে খাবেন : খালি পেটে রসুন খেতে হবে সকালের নাস্তার করার আগেই। অনেকে চিবিয়ে খেতে পারেন না কারণ রসুলের এক ধরনের কড়া ঝাঁঝ আছে। সেক্ষেত্রে পানি দিয়ে গিলে খেতে পারেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই টুকরো করে নেবেন। তবে রসুন চিবিয়ে খাওয়াটাই উত্তম। রসুনের উপকারিতা : রসুন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। গবেষকদের মত, খালি পেটে রসুন গ্রহণ হাইপারটেনশন ও স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করে। পেটে হজমের সমস্যা থাকলে তাও দূর করে। এছাড়া এটি স্ট্রেস থেকে পেটে গ্যাসের সমস্যা দূরীকরণে, পেটের অন্যান্য গণ্ডগোলজনিত অসুখ যেমন ডায়রিয়া সারাতে, শরীরের রক্ত পরিশুদ্ধ করণে ও লিভারের ফাংশন ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে রসুন পুরুষের যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূণ ভূমিকা রাখে।

09-11-2017 02:28:36 pm

ঝাল খাবার খেলে শরীরের নানা উপকার হয় জানান গবেষকরা

৫ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): ঝাল, মশলা সহযোগে বানানো খাবার ছাড়া তো আমাদের মুখেই উঠেনা। কিন্তু এমন খাবার খাওয়াটা কি আদৌ উচিত? এ বিষয়ে হওয়া গবেষণা এবং চিকিৎসকেদের মতামত নিয়ে আলোচনা করা হবে, তবে তার আগে জানার চেষ্টা চালাবো কেন আমরা এমন ঝাল খাবার খেতে পছন্দ করি। বেশ কিছু কেস স্টাডিতে একটা কথা সামনে এসেছে যে ঝাল খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতাকে অনেকে রোলার-কোস্টার রাইডের সঙ্গে তুলনা করে থাকেন। আসলে সবই জানেন ঝাল খেলে হুস-ফাস করতে হবে। হবে অল্প-বিস্তর কষ্টও। তবু সেই অভিজ্ঞতা পেতে সবাই মুখিয়ে থাকেন। আর যদি বাঙালির কথা বলেন তো, তাহলে বলতে হয়, আমাদের জিনেই রয়েছে তেল-ঝালের প্রতি এক অমোঘ প্রেম। কিন্তু প্রশ্ন হল এমন ঝাল দেওয়া খাবার খেলে কি শরীরে বিবিধ অঙ্গের ক্ষতি হয়ে থাকে? গবেষকদের মতে ঝাল খাবার খেলে শরীরের নানা উপকার হয়। যেমন... ১. ওজন কমে: একেবারে ঠিক শুনেছেন! নিয়মিত ঝাল খাবার খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকতে বাধ্য হয়। কারণ লঙ্কার শরীরে উপস্থিত ক্যাপসিসিন নামক উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর মেটাবলিজেম রেট এতটা বাড়িয়ে দেয় যে ফ্যাট জমার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে ফ্যাট বার্ন করার প্রক্রিয়াকেও ত্বরান্বিত করে। ফলে ওজন বাড়ার কোনও আশঙ্কা কমে। প্রসঙ্গত, ঝাল খাবার খাওয়ার পর প্রায় ২০ মিনিট পর্যন্ত ক্যাপসিসিন শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদকে গলাতে থাকে। তাই তো চটজলদি ওজন কমাতে লঙ্কা দিয়ে বানানো ঝাল জাল খাবার খাওযার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। ২. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: সমগ্র বিশ্বজুড়ে হওয়া একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যেসব দেশের নাগরিকেরা বেশি মাত্রায় ঝাল খেয়ে থাকেন, তাদের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। কারণ লঙ্কা দিয়ে বানানো ঝাল খাবার খেলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। সেই সঙ্গে হার্টের অন্দরে হওয়া ইনফ্লেমেশনও কমে। ফলে নানাবিধ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। ৩. ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে: আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে কাঁচা লঙ্কায় উপস্থিত ক্যাপসিসিন, ক্যান্সার সেলেদের মেরে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ঝাল খাবার তৈরি করার সময় ব্যবহৃত হলুদ এবং সরষের তেলও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেয়। গবেষণা অনুসারে হলুদ এবং সরষের তেল ক্যান্সার সেলের গ্রোথ আটকাতে এবং টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, আমরা অনেকেই খাবারের স্বাদ বাড়াতে গোলমরিত ব্যবহার করে থাকে। এই মশলাটিও ক্যান্সার রোগের প্রতিরোধে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। ৪.ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে: ঝাল খাবার খাওয়া মাত্র সারা শরীর গরম হয়ে যায়। ফলে রক্তের প্রবাহ বাড়ে যাওয়ার কারণে রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রায় নেমে আসতে সময় নেয় না। প্রসঙ্গত, লঙ্কায় উপস্থিত ভিটামিন এ এবং সি-ও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাকে মজবুত করতে এবং সংক্রমণকে দূরে রাখতেও সাহায্য় করে। ৫. মানসিক অবসাদ দূর করে: বেশ কয়েকদিন ধরেই মনটা কেমন দিশেহারা। সেই সঙ্গে হাসিও যেন দূর পালিয়েছে! তাহলে আর সময় নষ্ট না করে পছন্দের ঝাল খাবার খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন নিমেষে মন ভাল হয়ে যাবে। কারণ এমন ধরনের খাবার খাওয়া মাত্র আমাদের মস্তিষ্কে সেরাটোনিন নামক "ফিল গুড" হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে মন খারাপের কালো মেঘ কাটতে সময় লাগে না।

05-11-2017 01:35:58 pm

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সক্রিয় পেস্তা বাদাম

আগরতলা ১লা সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার ও তেলের জরুরি উৎস বাদাম। পরিমিত পরিমাণে বাদাম খেলে সুস্থ থাকা সম্ভব। অনেক রকমের বাদাম বিশ্বে উৎপাদিত হয়। সব বাদামই পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। পেস্তা বাদামে আছে ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন। এটি রক্ত শুদ্ধ করে। লিভার ও কিডনি ভালো রাখে। কাজু বাদামে আছে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন-এ। এটি রক্তশূণ্যতা কমিয়ে দেয়। ত্বক উজ্জ্বল করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত পেস্তাবাদাম খেলে ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি খুব একটা থাকে না। কম মাত্রার ক্যালরি, উচ্চমাত্রার প্রোটিন, নিম্ন মাত্রার সম্পৃক্ত ফ্যাট আর উচ্চ মাত্রার অসম্পৃক্ত ফ্যাট সবই কিন্তু ওজন কমানোর জন্য সহায়ক। পেস্তা বাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সক্রিয় থাকে। এই বাদামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্লাইকেশন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিস বাড়তে দেয় না।

01-11-2017 03:27:00 pm

শীতকালে পায়ের যত্ন কিভাবে নেবেন তাঁর উপায় জেনেনিন

৬ই জানুয়ারী (এ.এন.ই ): শীতের সময় আমরা মুখ বা শরীরের বাকি অংশের ত্বকের যত্নে যতটা মন দিই, পায়ের ততটা খেয়াল রাখি না বা অনেক সময় রাখা সময় পাই না। পায়ের ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া বা গোড়ালি ফেটে যাওয়ার মতো এই ধরনের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন বিশেষ করে শীতকালে। তবে এর প্রতিকারের উপায়ও রয়েছে আমাদের হাতের সামনেই। তা জেনেনিন ১। ব্লেন্ডারে দু’টো গোটা শসা দিন। তার সঙ্গে মেশান দুই টেবিলচামচ করে লেবুর রস আর অলিভ অয়েল। পুরোটা ভাল করে পিউরি করে নিন। এবার দু’টো প্লাস্টিক ব্যাগে মিশ্রণটা সমান ভাগে ঢালুন। পা-জোড়া ব্যাগে ঢুকিয়ে দিন। মিশ্রণটা যেন ভালমতো পায়ে লেগে যায়। পারলে হাত দিয়ে একটু ম্যাসাজ করে নিন। মিনিট দশেক পরে ব্যাগ থেকে পা বার করে উষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। পায়ের ক্লান্তি কাটিয়ে তরতাজা ভাব ফিরিয়ে আনে শসা। লেবু এক্সফলিয়েটরের কাজ করে আর অলিভ অয়েল পায়ের ত্বকে আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে। ২। পায়ের ক্লান্ত ভাব দূর করতে ফুট সোকও বানিয়ে নিতে পারেন। উষ্ণ জলে শ্যাম্পু, কয়েক ফোঁটা অ্যারোমা অয়েল আর খানিকটা সি-সল্ট মিশিয়ে নিন। পছন্দসই ফুলের পাপড়িও ফেলে দিতে পারেন। এবার পা ডুবিয়ে আরাম নিন! ক্লান্তি কেটে গেলে পা ম্যাসাজ করে নিন সি-সল্ট, পেপারমিন্ট অয়েল আর লেবুর রসের মিশ্রণ দিয়ে। মৃত কোষ ঝরে যাবে। পা মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। ৩। ত্বক নরম করতে মধুর জুড়ি নেই। এক টেবিলচামচ করে মধু, অলিভ অয়েল আর লেবুর রসের সঙ্গে দুই টেবিলচামচ ব্রাউন শুগার মিশিয়ে পেস্টের মতো বানিয়ে নিন। উষ্ণ জলে পা ডুবিয়ে নিন, যাতে উপরের ধুলোময়লা ধুয়ে যায়। এবার ভিজে পায়ে মিশ্রণটা লাগিয়ে সার্কুলার মোশনে স্ক্রাব করুন। হয়ে গেলে পা ধুয়ে নিন। ৪। যারা গোড়ালি ফাটার সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা একটা পাকা কলা আর অর্ধেক অ্যাভোকাডো ব্লেন্ডারে দিয়ে মিশ্রণ বানিয়ে নিন। পায়ে আর গোড়ালিতে মিনিট কুড়ে লাগিয়ে রেখে উষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ফল পাবেন। ৫। শীতকালে পায়ে মোজা পরে বেরনোই ভালো। নিয়মিত ভাবে পেডিকিওর করান। রাতে ঘুমনোর আগে পায়ে ভাল করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। শীতকালে আমাদের জল খাওয়ার পরিমান কমে যায় তাই যতটা পারা যায় সঠিক পরিমানে জল খাবেন।

06-01-2017 01:17:28 pm

ভোরে ঘুম থেকে উঠার বিভিন্ন তথ্য জেনেনিন

৪ঠা জানুয়ারী (এ.এন.ই ): শীতের সময় ভোর বেলায় বিছানা থেকে খুব কষ্ট হচ্ছে। সত্যি এই শীতে ঘুম থেকে ওঠা সত্যিই বেশ কষ্টের। লেপের আশ্রয় ছেড়ে কার আর উঠতে ইচ্ছে করে?‌ কিন্তু ভোরে উঠতে শুরু করলে তখন দেখবেন ভোরটা সত্যিই সুন্দর। সবাইকে উঠতেই হবে, এমন নয়। কিন্তু যাঁরা উঠতে চান, অথচ উঠতে পারেন না, তাঁদের জন্য কয়েকটি প্রয়োজনীয় তথ্য জেনেনিন। ‌ ১) ভোরে উঠা নিয়ে বেশি চিন্তা করবেন না তাহলে রাতে ঠিকঠাক ভাবে ঘুম হবে না। বরং ভাবুন, ভোরে না উঠলেও কোন ক্ষতি হবে না। নিজেকে হালকা রাখুন। ‌ ২) ভোরে উঠতে গেলে রাতে ঠিকঠাক ঘুমোনোটা খুবই দরকার। চেষ্টা করুন প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমোতে যাওয়ার। ‌ ৩) ঘুমোনোর জন্য পরিশ্রম জরুরি। সারাদিন যদি কাজের মধ্যে থাকেন, দেখবেন সহজেই ঘুম এসে যাবে। ‌ ৪) রাতে সোশাল সাইট একেবারেই করবেন না। একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ বন্ধ করেদিন। ‌ ৫) সম্ভব হলে রাতে বই নিয়ে শুতে যান। পড়তে পড়তে ভাল ঘুম হয়। তবে খুব বেশি বইয়ে ডুবে যাবেন না। ‌ ‌৬) জিও সিম বা ফ্রি কলের দৌলতে অনেকে হয়ত ফোন করবে। রাতের দিকে সেগুলো না ধরাই ভাল। অন্যের ফোন ফ্রি বলে আপনি ঘুম নষ্ট করবেন কেন? পারলে ফোনটা বন্ধই রাখুন।‌ ‌ ৭) সকালে একটা লক্ষ্য থাকলে ওঠাটা সহজ হয়। লক্ষ্য না থাকলে শিথিলতা এসে যায়। তাই নিজেই কোনও একটা লক্ষ্য ঠিক করে নিন। ‌ ৮) অনেকেই অ্যালার্ম দিয়ে থাকেন। কিন্তু অধিকাংশ লোকই অ্যালার্ম বাজার পর তা বন্ধ করে দেন। তাই ফোনে বা ঘড়িতে অ্যালার্ম দিলে তা দূরে রাখুন। ‌ ৯) অনেকেই রাতে বারবার প্রস্রাবে ওঠেন। সারাদিন পর্যাপ্ত জল খান। তবে সন্ধ্যের পর জল কম খাওয়াই ভাল। এতে ঘুমের বিঘ্ন ঘটবে না। পারলে সকালে উঠে স্নান করে নিন। দেখবেন, অনেক ঝরঝরে লাগছে। ‌ ১০) হাঁটার লক্ষ্য রাখুন। পারলে ভাল সঙ্গী জুটিয়ে নিন। দেখবেন সেই সঙ্গীর হাতছানিতে আপনি ঠিক উঠে পড়েছেন।

04-01-2017 02:20:42 pm

হেলেঞ্চা শাক বিভিন্ন দিক থেকে শরিরের রোগ প্রতিরোদের ক্ষমতা রাখে, জেনেনিন তাঁর উপকারিতা

২৩শে ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): হেলেঞ্চা শাকের বাণিজ্যিক চাষ যদিও এখনো তেমন একটা চোখে পড়ে না। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে এটি বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি শাক। বছরের বেশিরভাগ সময়েই এটি পাওয়া যায়। ঘাস জাতীয় হওয়ায় এর সংগ্রহ বেশ কষ্টকর। বলতে গেলে কুড়িয়ে নিতে হয় সময় ধরে। তবে এত কষ্ট করতে রাজি হলে কেস্টটাও মিলবে। কারণ ভিটামিন সমৃদ্ধ এ শাক খেতেও ভীষণ সুস্বাদু। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ হেলেঞ্চা শাকে শতকরা ২.৯ ভাগ প্রোটিন, ০.২ ভাগ ফ্যাট, ৫.৫ ভাগ শর্করা এবং ২.২ ভাগ লবণও আছে। ওষুধি গুণ থাকায় ভেষজ চিকিৎসায়ও হেলেঞ্চার বেশ ব্যবহার আছে। এ শাকটি জীবাণু নাশক, ডায়েরিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়ু উত্তেজনা প্রশমনেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

23-12-2016 04:48:54 pm

স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব ভালো খেজুর তাঁর উপকারিতা জেনে নিন

২৩শে ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): বেড়াতে গেলে ব্যাগে খেজুর, বাদামের মতো শুকনো খাবার রাখেন। তাহলে প্রতিদিন বাড়িতে কেন নয়! টিফিনে ফাস্টফুড না রেখে খেজুর খাওয়া অভ্যাস করুন। খেজুরে ভিটামিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক রয়েছে। যা স্বাস্থের পক্ষে ভাল। আবার ত্বকের উজ্জ্বলতায় ধরে রাখে। ‌খেজুরে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। হাড় শক্ত রাখে আবার ক্ষয়ও রোধ করে। ভিটামিন সি এবং ডি থাকায় খেজুর খেলে ত্বক মসৃণ হয়। বলিরেখা পড়তে দেয় না। রাতের বেলা জলে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে খেয়ে নিন। হজম ক্ষমতা বাড়বে। স্মৃতিশক্তি সতেজ রাখে খেজুর। পটাশিয়াম থাকায় হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। খেজুরে প্রচুর আয়রন রয়েছে। তাছাড়া গর্ভবতী মায়েদের পক্ষে ভাল। স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো বলে বেশী পরিমানে খেজুর খাবেন না। কারন প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে ৬৬.‌৫ গ্রাম সুগার রয়েছে। যা বিপদ ডেকে আনতে পারে। দিনে চার থেকে পাঁচটি খেজুর মুখে দিন।

23-12-2016 04:43:09 pm

টমেটো কিডনি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

১৮ই অক্টোবর (এ.এন.ই ): আপনি কি কিডনি ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে চান? তাহলে বেশি বেশি টমেটো খান। টমেটো কিংবা লাইকোপেন সমৃদ্ধ ফল ও সবজি কিডনি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় বলে নতুন একটি গবেষণায় দেখা গেছে। লাইকোপেন একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কারণেই টমেটো, তরমুজ, আঙ্গুর ও পেঁপের লালচে রং হয়। ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া ৯২ হাজার নারীর খাদ্যাভাসের ওপর এই গবেষণা করা হয়েছে। গবেষণায় প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে তাদের খাবারে লাইকোপেনসহ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট গ্রহণের পরিমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। গবেষণায় অংশ নেওয়া ৩৮৩ জন নারীর কিডনি ক্যান্সার ছিল। গবেষণায় দেখা গেছে যে সব নারী কম লাইকোপেন সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করেছেন তাদের তুলনায় যারা প্রচুর পরিমাণ লাইকোপেন সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করেছেন তাদের কিডনি ক্যান্সারের ঝুঁকি কম। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও প্রদেশের কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটির আবাসিক চিকিৎসক ওন জিন হোয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে লাইভ সাইন্স সাময়িকী জানিয়েছে, একজন নারী দৈনিক সর্বোচ্চ যতটুকু লাইকোপেন গ্রহণ করে তা চারটি টমেটোতে থাকা লাইকোপেনের সমান। তবে শুধু টমেটো থেকেই নয়, টমেটো সস কিংবা লাইকোপেন সমৃদ্ধ অন্য ফল ও সবজি থেকেও নারীরা লাইকোপেন গ্রহণ করেন বলে জানান ওন জিন হো। আমেরিকান সোসাইটি ফর ক্লিনিক্যাল অনকোলজির বার্ষিক বৈঠকে এই গবেষণাপত্রটি উপস্থাপন করা হয়েছে।

18-10-2016 02:42:00 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.