• চিটফান্ড ইস্যুতে ত্রিপুরায় ধেয়ে আসছে সিবিআই
  • রাজ্যে আবার বিজেপি কর্মী খুন, ধৃত অভিযুক্ত
  • ত্রিপুরায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকার উদাসিনঃ কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ইজরাইল ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে সিপিআইএমের আক্রমণ
  • রাজনাথ সিং এর সঙ্গে অজিত দোভাল এবং কৃষ্ণ গোপালজির বৈঠক ঘিরে সিপিআইএমের তীব্র প্রতিক্রিয়া
  • ৪০ মাদ্রাসা শিক্ষকের বকেয়া টাকা মেটাচ্ছেন বিজেপির সভাপতি
  • সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতির সাংবাদিক সম্মেলনে কারোর মুখ না খোলাই শ্রেয় বললেন বার কাউন্সিল অফ ত্রিপুরার চেয়ারম্যান
  • রাজধানী আগরতলা থেকে প্রকাশ্যে টাকা ছিনতাই
  • নির্বাচনী কাজে দায়িত্ব প্রাপ্তদের মধ্যে ব্যাপক রদবদলের এবং দায়িত্ব চ্যুতির সম্ভাবনা
  • ভুয়ো ভোটার নিয়ে তৎপর নির্বাচন কমিশন
  • রাজ্যে আবার ধর্ষণের পর হত্যা
  • ত্রিপুরায় রাজনৈতিক সন্ত্রাস অব্যাহত, আবার খুন
  • ত্রিপুরায় আবার ধৃত রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী
  • চূড়ান্ত ভোটার তালিকাতেও প্রচুর ভুয়ো নামের সন্ধান
  • রাজ্যের সন্ত্রাস কবলিত এলাকায় র‍্যাপ, ভোটের দায়িত্বে মহিলা কোম্পানি
  • ত্রিপুরা মেতেছে মকর সংক্রান্তি উৎসবে
  • ঘন কুয়াশার কারণে বিঘ্নিত স্বাভাবিক রেল পরিষেবা
  • রাত পোহালেই পৌষ সংক্রান্তি, চলছে ঘরে ঘরে প্রস্তুতি
  • কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগমনে নির্বাচনের আগে সংশয় তুঙ্গে
  • বিধায়ক পদ খারিজে বেপরোয়ারা রতন লাল নাথ
  • ত্রিপুরায় আসছে ব্যাপক হারে কেন্দ্রীয় বাহিনী
  • সুধীন্দ্র দাশগুপ্ত স্মরণসভা
  • টাকা এনে না দেওয়ায় স্বামীর হাতে আক্রান্ত গৃহবধূ
  • চালু হল আগরতলা-কলকাতা রোডে আরেকটি নতুন ভলভো বাস
  • ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক হওয়ার কিছু কারণ

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

স্বাস্থ্য

চিকিৎসকদের মতে মানব দেহে এক সপ্তাহে ১০ কিলোগ্রাম ওজন কমাতে সাহায্য করে সেদ্ধ ডিম

১৩ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): মেদ কমানোর জন্য অনেক কিছু করি আমরা। কখনও কঠিন ডায়েট, তো কখনও সকাল হলেই দৌড়, জিমে গিয়ে নানা ব্যায়াম। তবুও ফলাফল শূন্য। কোনও এক্সারসাইজ, কোনও ডায়েটই কাজে সমস্যার সমাধান করতে পারছে না। তবে আপনার এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে মাত্র সেদ্ধ ডিম। চিকিৎসকরা বলছেন, এক সপ্তাহে ১০ কিলোগ্রাম ওজন কমাতে সাহায্য করবে সেদ্ধ ডিম। তবে শুধু এই ডিম সেদ্ধ খেলেই হবে না। রয়েছে এর আরও নানা নিয়ম কানুন। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে রইলো আপনাকে যেসঅব নির্দেশিকা মেনে চলতে সেই সম্পর্কিত একটি নির্দেশিকা- সোমবার- ব্রেকফাস্টঃ একটা ফল, ২ টো ডিম সেদ্ধ লাঞ্চঃ ফল, পাউরুটি, ডিনারঃ স্যালাড, গ্রিলড চিকেন মঙ্গলবার- ব্রেকফাস্টঃ একটা ফল, ২ টো ডিম সেদ্ধ লাঞ্চঃ গ্রিন স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন, ডিনারঃ দুটো সেদ্ধ ডিম, স্যালাড ও কমলালেবু বুধবার- ব্রেকফাস্টঃ একটা ফল, ২ টো ডিম সেদ্ধ লাঞ্চঃ চিজ, টমাটো, পাউরুটি ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন বৃহস্পতিবার- ব্রেকফাস্টঃ ফল ও দুটো সেদ্ধ ডিম লাঞ্চঃ ফল ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন শুক্রবার- ব্রেকফাস্টঃ ফল ও দুটো সেদ্ধ ডিম লাঞ্চঃ ফল ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন শনিবার- ব্রেকফাস্টঃ ফল লাঞ্চঃ এক কাপ ভাত, দুটো ডিম সেদ্ধ, একটু মাখন ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন রবিবার- ব্রেকফাস্টঃ ফল ও দুটো সেদ্ধ ডিম লাঞ্চঃ ফল ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন

13-01-2018 12:18:11 pm

স্বাস্থে কাজু বাদামের বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

১৩ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): কাজু বাদাম খাওয়া কি স্বাস্থ্যকর? এমন প্রশ্নে জবাবে বলতে হয়, পুষ্টিগুণ এবং শরীরিক উপকারিতার দিক থেকে কাজু বাদামের কোন বিকল্প হয় না বললেই চলে। এতে উপস্থিত প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং ভিটামিন নানা ভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। শুধু তাই নয়, কাজু বাদামে ভিটামিনের মাত্রা এত বেশি থাকে যে চিকিৎসকেরা একে প্রকৃতিক ভিটামিন ট্যাবলেট নামেও ডেকে থাকেন। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত যদি কাজু বাদাম খাওয়া যায়, তাহলে শরীরে নান পুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে আরও কিছু উপকার পাওয়া যায়। ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে মারণ রোগটি যদি সাপ হয়, তাহলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল বেজি। তাই তো যেখানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, সেখানে ক্যান্সার সেলের খোঁজ পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই তো প্রতিদিন এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। আসলে এই বাদমটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার সেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি টিউমার যাতে দেখা না দেয় সেদিকেও খেয়াল রাখে। প্রসঙ্গত, কাজু বাদামে থাকা প্রম্যান্থোসায়ানিডিন নামে একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সংক্রমণের আশঙ্কা কমে প্রাকৃতিক উপাদানটিতে থাকা জিঙ্ক, ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। তাই আপনি যদি এই ধরনের ইনফেকশনের শিকার প্রায়শই হয়ে থাকেন, তাহলে রোজের ডায়েটে কাজু বাদামের অন্তর্ভুক্তি ঘটাতেই পারেন। হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে কাজু বাদামে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একদিকে যেমন ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে, তেমনি নানাবিধ হার্টের রোগ থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যাদের পরিবারে হার্ট ডিজিজের ইতিহাস রয়েছে, তারা প্রয়োজন মনে করলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতেই পারেন। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে মাঝে মধ্যেই কি রক্তচাপ গ্রাফের কাঁটার মতো ওঠা-নামা করে? তাহলে তো চটজলদি কাজু খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই বাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

13-01-2018 12:08:51 pm

অ্যাটাক নিয়ে কিছু ভুল ধারণা জেনে নিন

৯ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): হার্ট অ্যাটাক হলে বুকে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভূত হয়। এই ব্যাথা ২০-৩০ মিনিট স্থায়ী হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী হাসপাতালে পৌছার আগেই মৃত্যুবরন করে। তাই এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। আমরা ভাবি মানুষ বুড়ো হলে ,মোটা হলে বা টেনশন করলে হার্ট অ্যাটাক হয়। কিন্তু এটা ভুল। যে কোন সময় হার্ট অ্যাটাক হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও হার্ট অ্যাটাক নিয়ে আরও কিছু ভুল ধারণা রয়েছে আমাদের। যেমন- ১। পরিবারে হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস থাকলেই যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়বে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব, অনিয়মিত লাইফস্টাইল, মদ্যপান, ধূমপান হার্ট অ্যাটাক ডেকে আনতে পারে। ২। ডায়েট থেকে ফ্যাট বাদ দিলেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমবে এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। ট্রান্স ফ্যাটের মধ্যে থাকা হাইড্রোজেন অয়েল হার্টের জন্য অস্বাস্থ্যকর। চিজ, ডিম, অ্যাভোকাডো, স্যামন মাছে থাকা ফ্যাট হার্টের জন্য স্বাস্থ্যকর। ৩। বুকে ব্যথা মানেই হার্ট অ্যাটাক ভেবে নেন অনেকেই। বুকে ব্যথা ছাড়াও নীরবে আসতে পারে হার্ট অ্যাটাক। বুকে ব্যথা ছাড়াও মাথা ঘোরা, শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট, গা গোলানোও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। ৪। ডায়াবেটিস হালকা ভাবে নেবেন না। হার্ট অ্যাটাকের মতোই ঝুঁকিপূর্ণ ডায়াবেটিস। অনেকেই মনে করেন ওষুধ খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। এইমনটা ভাবার কোনও ভিত্তি নেই। কোলেস্টেরলের মাত্রা, ওবেসিটি অনেক কিছুর জন্যই বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। ৫। এমন একটা ধারণা রয়েছে যে পুরুষদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি মহিলাদের তুলনায় বেশি। যদিও পুরুষদের মধ্যে অল্প বয়সে বেশি আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা যায় কিন্তু স্ট্রেস, ওবেসিটির মতো অনেক বিষয় রয়েছে যা মহিলাদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

09-01-2018 01:59:47 pm

আদা চায়ের বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

৯ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): এক কাপ চায়ে যদি কয়েক কুচি আদা থাকে, তা হলে স্বাদ যেমন বাড়ে, সঙ্গে বাড়ে তার গুণও। এক কাপ খেলেই বহু সমস্যার সমাধান হতে পারে। গাড়িতে চড়লে অনেকের বমি বমি ভাব হয়। সেক্ষেত্রে আগে থেকে এক কাপ আদা চা খেয়ে নিন। বমি বমি ভাব কেটে যাবে। পেট খারাপ বা পেট ব্যথা হলে কী খাবেন বুঝতে পারেন না। এক কাপ আদা-চা খেয়ে নিন। পেট ভাল থাকবে। গায়ে, হাত ও পায়ে ব্যথা বা মাথার যন্ত্রণা থাকলে আদা-চা খান। অ্যালার্জি, সর্দির সমস্যা বা হার্টের সমস্যা থাকলেও এক কাপ চা সমাধান হিসেবে কাজ করবে। দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকঠাক হলে শরীর সুস্থ থাকে। তাই নিয়মিত আদা-চা খান। হাই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোগ করার ক্ষমতা বেড়ে যায়। স্ট্রেস কমানোর জন্যও এক কাপ আদা-চার জুড়ি মেলা ভার।

09-01-2018 01:51:37 pm

হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে লেবুর খোসা

১৯ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): লেবুর খোসায় এমন সব পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে, যা লেবুতেও নেই। একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, লেবুতে যে পরিমাণ ভিটামিন থাকে তার থেকে প্রায় ৫-১০ গুণ বেশি থাকে লেবুর খোসায়। সেই সঙ্গে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম,পটাশিয়াম, ভিটামিন সি এবং ফাইবার। এই সবকটি উপদানই নানা ভাবে শরীরে কাজে লেগে থাকে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকারিতা। যেমন... ১. স্ট্রেস কমায়: লেবুর খোসায় উপস্থিত সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের ভেতরে প্রবেশ করার পর এমন কাজ শুরু করে যে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে সার্বিকভাবে মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর একেবারে চাঙ্গা হয়ে ওঠে। তাই তো এবার থেকে যখনই দেখবেন শরীর আর চলছে না, তখন অল্প করে লেবুর খেসা নিয়ে চটজলদি খেয়ে ফেলবেন। দেখবেন উপকার মিলবে। ২. ওজন কমায়: পেকটিন নামে একটি উপাদান প্রচুর মাত্রায় থাকায় লেবুর খোসা নিয়মিত খেলে ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত চর্বিকে ঝড়িয়ে ফেলতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। ৩. ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে: লেবুর খোসায় উপস্থিত স্য়ালভেসস্ট্রল কিউ ৪০ এবং লিমোনেন্স নামে দুটি উপাদান ক্যান্সার সেলের ধ্বংসে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরের অন্দরে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়া কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। এখানেই শেষ নয়, লেবুর খোসা খাওয়া মাত্র ব্যাকটেরিয়াল এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশেনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। ৪. মুখ গহ্বরের রোগের প্রকোপ কমবে: ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলে মুখ গহ্বর সংক্রান্ত একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো নিয়মিত লেবুর খোসা খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক অ্যাসিড মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, জিঞ্জিভাইটিস সহ একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৫. হাড় শক্তপোক্ত হয়: প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকার কারণে লেবুর খোসা খাওয়া শুরু করলে ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। ৬. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়: লেবুর খোসায় উপস্থিত পলিফেনল নামে একটি উপাদান শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়। অন্যদিকে লেবুর পটাশিয়াম ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণা রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই তো যাদের পরিবারে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্টের রোগের ইতিহাস রয়েছে তারা প্রতিদিনের ডায়েটে লেবুর খোসাকে অন্তর্ভুক্ত করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। ৭. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়: একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে লেবুর খোসার অন্দরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের নিচে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা যেমন কমে, তেমনি ত্বক টানটান হয়ে ওঠে। এই কারণেই তো বয়স ৩০-এর কোটা পরলেই প্রতিদিন লেবুর খোসা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। ৮. হজমের উন্নতি ঘটায়: ফাইবার সমৃদ্ধি যে কোন খাবার হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে লেবুর খেসায়। তাই তো বদ-হজন থেকে গ্যাস-অম্বল, যে কোনও ধরনের হজম সংক্রান্ত সমস্যায় এই প্রকৃতিক উপাদানটি দারুন উপকারে আসে। লেবুর খোসায় উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদান: ১০০ গ্রাম লেবুর খোসায় প্রায় ১৩৪ এমজি ক্যালসিয়াম, ১৬০ এমজি পটাশিয়াম , ১২৯ এমজি ভিটামিন সি এবং ১০.৬ গ্রাম ফাইবার থাকে। এই সবকটি উপাদানটি শরীরের গঠনে নানাভাবে কাজে লেগে থাকে। সেই কারণেই তো চিকিৎসকেরা লেবুর খোসা খাওয়ার পক্ষে মত দিয়ে থাকেন। খাবেন কীভাবে লেবুর খোসা? অনেকভাবে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি খেতে পারেন। যেমন ধরুন- ১. কয়েক ঘণ্টা লেবুর খোসাটা ফ্রিজে রাখার পর গ্রেট করে নিন। তারপর অল্প পরিমাণ নিয়ে চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। ২. লেবুর খোসাটা শুকিয়ে নিয়ে। তারপর গ্রায়েন্ডারে লেবুর খোসা, অল্প পরিমাণ লবন এবং গোলমরিচ নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। তারপর মিশ্রনটি খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। ৩. লেবুর খোসাকে শুকিয়ে নিন। তারপর বেটে নিয়ে পাউডার বানিয়ে ফেলুন। সেই পাউডার এবার খাবারের সঙ্গে অথবা অন্য যে কোনওভাবে গ্রহণ করতে পারেন।

19-12-2017 12:45:55 pm

কফির কিছু গুণাগুণ ও উপকারিতা জেনে নিন

১৯ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): ক্লান্তি বা বিষন্নতা থেকে নিজেকে সতেজ করতে কফির তুলনা নেই। এমন অনেকেই আছেন যাদের সকালে ঘুম থেকে উঠে কফিতে চুমুক না দিলে দিনটাই মাটি। আবার দিনের শেষে বিকেলে হালকা নাস্তার সঙ্গে কফি না হলে তো চলেই না। তাহলে চলুন জেনে নিই কফির কিছু গুণাগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে- কফিতে থাকা সবচেয়ে সক্রিয় উপাদানটির নাম ক্যাফেইন। যা আপনাকে প্রতিকূল পরিস্থিতি অমনোযোগ কাটিয়ে কাজে মনোযোগ দিতে সাহায্য করবে। টাইপ ২ ডায়াবেটিসের সম্ভাবনাও কমায় কফি। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত কফি খায় তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কম হয়। এই ঝুঁকি কমানোর পরিমাণটা ২৩ থেকে ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। কফি আলঝেইমার্স ও পারকিনসন্স রোগের বিরুদ্ধেও লড়ে। বয়স বাড়লে কফি আপনার মস্তিস্ককে সুরক্ষা দেয়। পুষ্টিগুণ আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই পানীয়টি। কফিতে ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি২, থায়ামাইন বি১, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। শুধু তাই নয় কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনাকে রাখবে আরো বেশি সতেজ। স্কিনক্যান্সারের প্রতিরোধক হিসেবেও বেশ কার্যকর কফি। ন্যাশনাল ক্যান্সার ইন্সটিটিউটের একটি গবেষণাপত্রে সম্প্রতি জানিয়েছে প্রতিদিন কফি পান করলে সেটা শরীরে ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমা তৈরিতে বাধা দেয়। ফলে ত্বক রক্ষা পায় ক্যান্সারের হাত থেকে। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে কফি শুষ্ক চোখের সমস্যা সমাধানেও বেশ কার্যকর। ক্যাফেইন চোখের অশ্রুগ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে সেই সঙ্গে সেটা সালিভা এবং পাচকরস তৈরি বাড়ায়। প্রতিদিন এক কাপ কপি যদি আপনাকে এত এত উপকার দেয় তাহলে অন্য কোনো পানীয় ছেড়ে কফির দিকে ঝুঁকতে বাধা কিসের। সুতরাং আজ থেকেই শুরু হোক কফিপ্রীতি।

19-12-2017 12:36:44 pm

ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করতে সহয়তা করে ফুলকপি

১৪ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): শীতের সবজি এখন বাজারে। আর এরমধ্যে ফুলকপি অন্যতম। এটি পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’ ও ‘কে’। প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপির পাতায় ক্যালসিয়াম ৬২৬ মিলিগ্রাম ও আয়রন ৪০ মিলিগ্রাম থাকে। আরও থাকে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’, ক্যালসিয়াম, আয়রন। ফুলকপিতে যে পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে তা কালো কচুশাকের চেয়ে প্রায় দেড় গুণ, সবুজ কচুশাকের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ, লালশাকের চেয়ে দ্বিগুণ, কলমিশাকের চেয়ে ৬ গুণ, পুঁই ও পাটশাকের চেয়ে ৭ গুণ, পালং ও ডাঁটাশাকের চেয়ে ৮ গুণ, মুলাশাকের চেয়ে ২৫ গুণ ও গরুর দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি। ফুলকপির কচি পাতাও পুষ্টিতে ভরপুর। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে যা সবুজ কচুশাকের চেয়ে ৪ গুণ, ডাঁটা শাকের চেয়ে দেড় গুণ, কলমিশাকের চেয়ে ১০ গুণ, মুলাশাকের চেয়ে ১২ গুণ ও পালংশাকের ৫ গুণ বেশি। এছাড়া ফুলকপির ডাঁটায়ও রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। ফুলকপির গুণাগুণ: - ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত-মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লুরাইড। নিয়মিত ফুলকপি খেলে অকালে দাঁত লালচে হয়ে যাওয়া ও দাঁতের মাড়ি দুর্বল হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। - ফুলকপি খেলে দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়ে। বাড়ন্ত শিশুদের দাঁতের পূর্ণ বিকাশের জন্য ফুলকপির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। - ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ফুলকপি খাওয়া ভালো। এতে সর্দি, হাঁচি, কাশি, জ্বর জ্বর ভাব, সারা শরীরে ব্যথা ভাব, নাক দিয়ে পানি পড়া, ঠান্ডায় কান বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দূর হয়। - ফুলকপিতে উপস্থিত উচ্চমাত্রাসম্পন্ন আয়রন রক্ত তৈরি, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য, বাড়ন্ত শিশু ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমী মানুষের জন্য অত্যান্ত জরুরি। - ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’ জিহ্বায় ঘা হওয়া, তালুর চামড়া ওঠা বা ছিলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। - ফুলকপিতে রয়েছে দেহ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আমিষ। - ফুলকপি স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে এই সবজি। ক্যান্সারের জীবাণুকে দেহ থেকে বের করে দেওয়ার ক্ষেত্রে ফুলকপির যথেষ্ট অবদান রয়েছে। সতর্কতা: ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও পটাশিয়াম রয়েছে। তাই যারা কিডনির জটিলতায় ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে ফুলকপি খাবেন।

14-12-2017 12:04:27 pm

শারীরিক সমস্যা নিরাময়ে আদার গুণাগুণ জেনে নিন

১১ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাসে মারাত্মক বেশ কিছু রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আদার গুণাগুণ এবং শারীরিক সমস্যা নিরাময়ে আদার ব্যবহার সকলেরই জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। জেনে নিন আদার অজানা গুণাগুণ- ১. বমিভাব বা বমি হচ্ছে অনেক? আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করুন। তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়ে যাবেন। ২. উল্টাপাল্টা এবং বেশি ভাজাপোড়া খাবারের কারণে বুকজ্বলার সমস্যা হুট করেই শুরু হতে পারে। এক কাজ করুন, ২ কাপ জলে ২ ইঞ্চি আদা ছেঁচে জ্বাল দিয়ে চায়ের মতো তৈরি করে পান করুন। বুকজ্বলা কমে যাবে। ৩. আদার রস ব্যথানাশক ঔষধের মতো কাজ করে। সরাসরি আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন আদার রস অথবা পান করে নিতে পারেন, দুভাবেই ভালো উপকার পাবেন। ৪. নতুন আদার সাথে আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়ার অভ্যাস পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায় এবং স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি করে। ৫. আদা হজমে সমস্যা সমাধান করে এবং পেটে ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে ১ কাপ আদা চা পান করলে পুরোদিন পেট ফাঁপা বা বদহজম থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।

11-12-2017 12:46:04 pm

ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধে বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

১১ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্তদের ঘন ঘন প্রস্রাব হয়; অধিক তৃষ্ণার্ত অনুভব করে এবং বার বার মুখ শুকিয়ে যায়। আক্রান্তরা অতিশয় দুর্বলতা, সার্বক্ষণিক ক্ষুধা, স্বল্প সময়ে দেহের ওজন হ্রাস, চোখে ঝাপসা দেখাসহ নানান সমস্যায় ভোগে। ডায়াবেটিস নির্দিষ্ট মাত্রার বাইরে গেলে তা শরীরের ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে রাখাই সর্বোত্তম পস্থা। এ জন্য প্রয়োজন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। এর পাশাপাশি কিছু খাবারও ডায়াবেটিস রোগীকে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে। নিচে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক কয়েকটি খাবার নিয়ে আলোচনা করা হলো : সবুজ চা : সবুজ চা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে; ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে এটি। মাছ : গবেষণায় দেখা যায়, মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতাকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়তা করে। এতে চর্বিহীন প্রোটিন রয়েছে। টক দই : টক দই একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য। এতে চিনির পরিমাণ খুব কম। এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। দুপুরের খাবারের সঙ্গে বা বিকেলের নাস্তায় স্যান্ডউইচের সঙ্গে টক দই খাওয়া যায়। এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে। ডিমের সাদা অংশ : ডিম পেশি গঠনকারী খাদ্য। এতে উচ্চ মানের প্রোটিন রয়েছে। ডিমের সাদা অংশে উচ্চ মানের চর্বিহীন প্রোটিন এবং কম মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা ২ ধরণের ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে। লেবু : লেবু ও লেবু জাতীয় ফল ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি এর অভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে। তবে লেবু জাতীয় ফল খেলে ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ হয়। জাম্বুরা, কমলা, লেবু এবং লাইমস ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিনের মতো কাজ করে। সবুজ শাকসবজি : সবুজশাক সবজি ২ ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, পাতা কপি, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুস পাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম। গবেষণায় বলা হয়, সবুজ শাক সবজি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে। শস্য দানা : প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শস্য দানা মানুষের শরীরের রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা কমে। আবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে শস্য দানা। বাদাম : গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিসের ঝুকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমায় চীনাবাদাম। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১ আউন্স আখরোট বা কাজুবাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিস্ময়করভাবে কাজ করে। নিয়মিত বাদাম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। মটরশুটি : ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাদ্য মটরশুটি। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ১ কাপ মটরশুটি খেলে ২ ধরনের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। এতে উচ্চমাত্রায় শর্করা, চর্বিহীন প্রোটিন এবং আঁশ রয়েছে। এটি শরীরের রক্তে চিনি কমাতে সাহায্য করে; হৃদরোগের সম্ভাবনাও কমায়।

11-12-2017 12:42:43 pm

দৈহিক শক্তি বাড়াতে খাদ্যের বিভিন্নি তালিকা জেনি নিন

৫ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): দৈহিক শক্তি বাড়াতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ওষুধি কৌশল এবং মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা এখন প্রায় সেকেলে হয়ে পড়েছে। আজকাল এই শক্তি বাড়াতে প্রাকৃতিকভাবেই দৈহিক শক্তি বর্ধক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই বিবাহিত জীবনে মিলনে ফিট থাকতে হলে আপনাকে দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। কারণ সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক। অথচ প্রায়ই দেখা যায়, দৈহিক দুর্বলতার কারণে সংসারে অশান্তি হয়, এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়। তাই আগে থেকে সতর্ক থাকলেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি নাও হতে পারেন আপনি। আপনার যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোনো প্রকার ওষুধের প্রয়োজন নেই, তার জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবার দাবারই যথেষ্ট। আপনার খাবার মেনুতে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং মধু রাখুন আর নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করুন, তাহলে দৈহিক (যৌন) দুর্বলতায় ভুগবেন না। ১. ডিম: দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে ও উত্তেজনা বাড়াতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার যৌন দুর্বলতার সমাধান হবে। ২. দুধ: যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট। ৩. মধু: দৈহিক দুর্বলতার সমাধানের মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম জলে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন। ৪. রসুন: দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই দৈহিক উদ্দীপনা বাড়াতে এবং জননাঙ্গকে পূর্ণ সক্রিয় রাখতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। ৫. কফি: কফি আপনার মিলনের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মিলনের মুড কার্যকর রাখে। ৬. জয়ফল: গবেষণায় দেখা গেছে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব। ৭. চকলেট: ভালোবাসা ও মিলনের সঙ্গে সবসময়ই চকলেটের একটা সম্পর্ক রয়েছে। এতে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো মিলনের উত্তেজনা ও দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএ’র সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে। ৮. কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হলেও আপনার ক্লান্তি আসবে না। ৯. ভিটামিন সি জাতীয় ফল: দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল দৈহিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। এসব ফলে মধ্যে তরমুজের প্রভাব বেশি। অনেকে মিলনের উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

05-12-2017 02:38:20 pm

শারীরিক সুস্থতায় এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কাজুবাদাম

৪ ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): কাজুবাদাম শারীরিক সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সম্প্রতি এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। নিউট্রিশন রিসার্চ জার্নালে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ১৪ গ্রাম কাজুবাদাম খেলে শরীর রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে মুক্ত থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যালিসা বার্নস এ বিষয়ে বলেন, কাজুবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, অপরিহার্য চর্বিসমৃদ্ধ অম্ল, ভিটামিন ই এবং ম্যাগনেসিয়াম। যা সুস্থ থাকতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গবেষণাটি ১৪ সপ্তাহ ধরে চালানো হয়। এতে ২৯ জোড়া বাবা-মা ও শিশুদের কাজুবাদাম খেতে দেয়া হয়। অধিকাংশ প্রাপ্ত বয়স্করাই ছিলেন মা। তাদের গড় বয়স ৩৫। আর শিশুদের বয়স ছিল ছয় থেকে তিন বছরের মধ্যে। শিশুদের প্রতিদিন ১৪ গ্রাম কাজুবাদামের মাখন আর বাবা-মাদের প্রতিদিন ১৪ গ্রাম কাজুবাদাম খেতে বলা হয়েছিল। গবেষণা ফলাফলে দেখা যায়, ওই সময়ে কাজুবাদাম খাওয়া বাবা-মা ও শিশুদের শরীরে উল্ল্যেখযোগ্য হারে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, অপরিহার্য চর্বিসমৃদ্ধ অম্ল, ভিটামিন ই এবং ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বেড়েছে। ফলে দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণ শক্তি সঞ্চিত হয়েছে। এতে তাদের শরীর সুস্থ থেকেছে।

04-12-2017 03:23:03 pm

জেনে নিন আমলকি খাওয়ার কিছু উপকারিতা

৪ ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): আমলকি এক প্রকার ভেষজ ফল। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম - আমালিকা। এর স্বাদ প্রথমে কষাটে লাগলেও খাওয়া শেষে মুখে মিষ্টি ভাব আসে। আমলকির অনেক ভেষজ গুণ রয়েছে। আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। তাহলে চলুন জেনে নিই আমলকি খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে- ১. প্রথমত আমলকিতে আপেলের তুলনায় ১২০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। আর তাই ভিটামিন সি'র ঘাটতি পূরণে এটি ১২০গুণ বেশি কার্যকর। ২. আমলকী চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে। ৩. আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে। ৪. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে। ৫. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকীর আচার হজমে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে আমলকীর রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ৬. আমলকীর রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকী চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৭. এছাড়াও প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকীর টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন। ৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকী অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকীর জুস উপকারী। শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। ৯. এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকীর আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে। ১০. এর এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রি র‌্যাডিকালস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারণ এই ফ্রি র‌্যাডিকালস। সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে। ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

04-12-2017 03:20:25 pm

মটরশুটির বিভিন্ন গুনাবলি জেনে নিন

১লা ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): শীত চলে এসেছে। বাজারে উঠতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। আর এসব শীতকালীন সবজির মধ্যে মটরশুটি অন্যতম। খাবারের স্বাদ বাড়াতে অনেকেই এই শস্যদানাকে ব্যবহার করেন বিভিন্ন রান্নায়। সুস্বাদু এই শস্যদানাটির রয়েছে অসাধারণ সব পুষ্টিগুণ। গবেষণায় দেখা গেছে, এক কাপ মটরশুটিতে ১ শ'র কম ক্যালরি আছে কিন্তু প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, আঁশ এবং অনেক ধরনের পুষ্টিসমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে। এতে ফ্যাট কম থাকায় এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া মেক্সিকান গবেষকরা বলছেন, কেউ যদি প্রতিদিন ২ মিলিগ্রাম পলিফেলনসমৃদ্ধ খাবার খান তাহলে তার পাকস্থলী ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। আর এক কাপ মটরশুটিতে অন্তত ১০ মিলিগ্রাম পলিফেলন থাকে। তাই এটি পাকস্থলী ক্যানসারের ঝুঁকি কমাত দারুন কার্যকরী। এছাড়া মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে, শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং প্রাণশক্তি বাড়ায়। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে। এ কারণে ডায়বেটিস রোগীদের জন্যও এটি বেশ উপকারী। পাশাপাশি ভিটামিন বি১,২,৩,৬ এর উৎস হওয়ায় এটি শরীরের হোমোসাইস্টাইন লেভেল কমায়। ফলে একারণে শরীরে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় মটরশুটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে সাহায্য করে। এক কাপ মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে থাকে যা শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত রাখার ক্ষেত্রেও মটরশুটি বেশ কার্যকরী।

01-12-2017 02:35:09 pm

হৃদরোগ ও ফুসফুস জনিত রোগে ভারতে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য : আইসিএমআর

নয়াদিল্লি, ২৯ নভেম্বর (এ.এন.ই ): সম্প্রতি আইসিএমআর-এর একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ভারতের অপেক্ষাকৃত ধনী রাজ্যগুলি যেমন পঞ্জাব, হরিয়ানা, তামিলনাডুতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটাই বেশি। পঞ্জাবে যেখানে হৃদরোগজনিত সমস্যায় প্রতি ১ লাখ মানুষে মৃত্যুর সংখ্যা ২৬১, সেখানে পশ্চিমবঙ্গও এই সংখ্যাটা খুব কম নয়। হার্ট ও ব্রেন স্ট্রোকে মৃত্যুর সংখ্যা ২৫০-এর কাছাকাছি। অন্যদিকে, সিওপিডিতেও মৃত্যুর সংখ্যা এরাজ্যে প্রতি লাখে ৪৮ জন। হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যাটা যেমন পঞ্জাব, হরিয়ানা বা তামিলনাডুর মতো রাজ্যে বেশি, তেমনই দূষণে উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, বিহারের মতো জায়গায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখ্যযোগ্য। প্রতি এক লাখ জনসংখ্যায় দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে বছরে মৃত্যু হয় ৮০ থেকে ১০০ জনের। অন্যদিকে, বায়ুদূষণের ফলে হাঁপানি, ফুসফুসজনিত রোগে পশ্চিমবঙ্গে মৃতের সংখ্যা ২৬-এ আশপাশে। ডায়রিয়াতেও এরাজ্যে মৃত্যুর হার অনেকটাই কম। ওড়িশা, ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ডের মত রাজ্যগুলিতে এই রোগে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়ায়। পশ্চিমবঙ্গে জলবাহিত রোগে মৃত্যুর পরিসংখ্যানটাও উল্লেখযোগ্য ভাবে কম। এখানে একলাখে মাত্র ৩৮ জনের মৃত্যু হয় এই রোগের প্রভাবে। এমনই পরিসংখ্যান জানাচ্ছে সরকারি সংস্থা ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ(আইসিএমআর)। তবে এখানেই শেষ নয়, আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে ওই সংস্থা। মৃত্যুর একাধিক কারণ থাকে। তবে, এর মধ্যে হৃদরোগ ও ফুসফুস জনিত রোগে ভারতে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।

29-11-2017 03:49:52 pm

আপনি কি গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে গ্যাসের সমস্যার সমাধান জেনে নিন

২০ নভেম্বর (এ.এন.ই ): গ্যাসের সমস্যায় কখনও ভোগেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুস্কর। আসলে ছুটে চলা ব্যস্ত জীবন আর অগোছালো লাইফস্টাইলের কবলে পড়েছে মানুষ। আর তারই ফলশ্রুতি এই সব সমস্যা। কিন্তু একটু সতর্ক থাকলেই গ্যাসের সমস্যাকে জীবন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা যায়। গ্যাসের সমস্যার সমাধানে রইল অব্যর্থ কয়েকটি পরামর্শ- ১। খাবার ভাল করে চিবিয়ে খান। শুনতে যতই অবাক লাগুক, অনেক সময়ই আমরা ভাল করে চিবিয়ে খাই না। আর তার থেকে শুরু হয় বড় সমস্যা। তাই খাওয়ার সময় ধীরে ধীরে খান। ভাল করে চিবিয়ে খান। খাওযার সময়ে ফোনে কথা বলা বা টেলভিশন দেখা থেকে বিরত থাকুন। ২। একবারে বেশি না খেয়ে বারে বারে অল্প করে খান। সহজে হজম হবে। গ্যাসের সমস্যা হবে না। ৩। যদি দেখেন পেটে গ্যাস জমে রয়েছে, তা হলে অবশ্যই খানিকটা হেঁটে আসুন। দেখবেন গ্যাস বেরিয়ে গিয়ে অনেকটা স্বস্তি বোধ করবেন। ৪। কার্বনেটেড ড্রিঙ্ক খাওয়া একেবারেই ছেড়ে দিন। এই ধরনের পানীয়তে কার্বন ডাই অক্সাইড থাকার ফলে বুদবুদ সৃষ্টি হয়ে গ্যাস তৈরি করতে পারে। ৫। লক্ষ করে দেখুন কোনও বিশেষ খাবার খাওয়ার ফলে গ্যাস হচ্ছে কি না। যদি কোনও খাবারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে পারেন, তা হলে সেই খাবারকে বর্জন করে দেখুন। ৬। পেটে গ্যাস হওয়া কমাতে পোশাকের দিকেও নজর দেওয়া দরকার! খুব আঁটোসাঁটো পোশাক পরলে খাওয়ার পরে অস্বস্তি হবে। তা ছাড়া শরীরের মধ্যে গ্যাস চলাফেরা করতে না পেরে এক জায়গায় জমে গিয়ে বিপত্তির সৃষ্টি করবে। ৭। কথা বলা বা খাওয়ার সময়ে বাইরের বায়ুও শরীরে প্রবেশ করে। এর ফলেও গ্যাস জমে শরীরে। সেই কারণে ধুমপান করলে বা খুব বেশি চুইং গাম খেলে শরীরে বাতাস ঢুকে যায়। তাই এগুলি এড়িয়ে চলা দরকার। ৮। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এতে শরীরের সব অঙ্গই সচল থাকে। হজমে সাহায্য করে। ফলে গ্যাস জমতে পারে না।

20-11-2017 03:58:48 pm

যে কারণে হার্ট অ্যাটাকের আক্রান্তদের মধ্যে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যাই বেশি জেনে নিন

১৫ নভেম্বর (এ.এন.ই ): হার্ট অ্যাটাক এক নীরব ঘাতক। যে কেউ যেকোনো সময় এর শিকার হতে পারেন। সাধাররণত জীবনযাপনে অনিয়ম হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। কিন্তু এবার গবেষকরা বলছেন, প্রায় একশ হার্ট অ্যাটাকের মধ্যে একটি যৌনতার কারণে হয়ে থাকে। তবে এ-ধরনের আক্রান্তদের মধ্যে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যাই বেশি। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি গবেষণা করেছেন সিডার্স-সিনাই মেডিক্যাল সেন্টার হার্ট ইনস্টিটিউটের গবেষকরা। তারা এ গবেষণার জন্য হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত ৪৫২৫ রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করেন। এতে তারা দেখেছেন প্রায় দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ রোগীর হার্ট অ্যাটাকের কারণ ছিল যৌনতা। অন্যদিকে দশমিক শূন্য এক শতাংশ নারী রোগীর হার্ট অ্যাটাকের কারণ ছিল যৌনতা। অবশ্য যৌনতার সময় সবাই হৃদরোগে আক্রান্ত হননি। ৫৫ শতাংশ ব্যক্তি সরাসরি যৌনতার সময় হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। অন্যদিকে যৌনতার ১৫ মিনিট সময়ের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন বাকিরা। গবেষকরা বলছেন, আগে থেকে যাদের হৃদরোগ আছে তারাই যে শুধু যৌনতার কারণে হঠাৎ করে হৃদরোগে আক্রান্ত হন, তা নয়। যে কেউ হঠাৎ যৌনতার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন। হার্ট অ্যাটাকের সঙ্গে হৃদরোগের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। হার্ট অ্যাটাকে হঠাৎ হৃৎপিণ্ড গণ্ডগোল শুরু করে এবং বিট করা বন্ধ করে দেয়। অনেকেই এতে অজ্ঞান হয়ে যান এবং আরো জটিল পরিস্থিতির তৈরি হয়। তবে হৃদরোগ রক্তচলাচলে প্রতিবন্ধকতা থেকে শুরু করে আরো বহু বিষয়ে হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ এ গবেষণাটি করেছেন ড. সুমিত চুগ। তিনি সিডার্স-সিনাই হার্ট ইনস্টিটিউটের গবেষক। তিনি বলেন, যৌনতার সঙ্গে হৃদরোগের সম্পর্ক নির্ণয় করার ক্ষেত্রে এটি প্রথম গবেষণা। এ বিষয়ে গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অব দ্য আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজিতে। এ ছাড়া আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাতেও এটি উপস্থাপিত হবে।

15-11-2017 04:37:40 pm

মানবদেহে গুঁড়ের নানান উপকারিতা জেনে নিন

১৫ নভেম্বর (এ.এন.ই ): শীত চলে এসেছে। এবার ঘরে ঘরে নতুন গুঁড়, ঝোলা গুঁড়ের দেখা পাওয়া যাবে। আর শীত মানেই পিঠে পুলির পার্বণ। তাই যুগলবন্দীতে গুঁড়ের দেখা তো পেতেই হবে। তবে, মুশকিলটা হচ্ছে, আমরা সকলেই প্রায় গুঁড় খাই বছরের এই একটা সময়। যদিও, গুঁড় কিনে রেখে দিলেও মাসের পর মাস ভাল থাকে। আমাদের ধারণা, গুঁড় দিয়ে পিঠে, পুলি, পায়েস আর নাড়ু তৈরি করা যায়। তাই বছরের বাকি সময় গুঁড় নিয়ে আমাদের তেমন মাথাব্যাথা থাকে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক গুঁড়ের নানা গুণ সম্পর্কে- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে: গুড়ের মিষ্টি এড়িয়ে যাচ্ছেন? ভাবছেন যে অতি মিষ্টি খেলে তো কোষ্ঠকাঠিন্য হতেই পারে। আসলে তা কিন্তু নয়। গুড়ের মিষ্টিতে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। উল্টে এই সমস্যা থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করবে গুঁড়। এর কারণ গুড় শরীরে হজম করার জন্য দায়ি উৎসেচকের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। ফলে পেট খুব তাড়াতাড়ি পরিষ্কার হয়ে যায়। লিভার ভাল রাখে: গুড় খেলে লিভারের কাজ ভাল ভাবে হয় এবং লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। গুড় লিভার থেকে ক্ষতিকারক উপাদান বার করে দিতে সাহায্য করে এবং এতে লিভারের পাশাপাশি শরীরও ভাল থাকে। তাই একটুকরো গুড় খেলে শরীর সুস্থ থাকে। জ্বর, সর্দি-কাশির হাত থেকে রক্ষা করে: শীতকাল বা বর্ষাকালে ঘরে ঘরে ঠাণ্ডা লেগে সর্দি, কাশি, জ্বর হতেই থাকে। এই ধরণের সমস্যাকে দূর করতে গুড়ের জুড়ি মেলা ভার। গরম পানির সঙ্গে গুড় মিশিয়ে পান করলে এই ধরণের সমস্যা দূর হয়। এছাড়াও, চায়ের মধ্যে চিনি না মিশিয়ে গুড় মিশিয়ে পান করলেও উপকার পাওয়া যায়। রক্ত পরিশোধন করে: গুড় খাওয়ার সব থেকে বড় উপকার হল, এটি রক্ত পরিশোধন করতে ভীষণভাবে সাহায্য করে। নিয়মিত গুড় খেলে রক্ত পরিষ্কার হয় এবং শরীর সুস্থ থাকে। গুড় যেহেতু সরাসরি আখের রস বা খেজুরের রস থেকে সরাসরি তৈরি করা হয়, তাই এটি শরীরের কোনও ক্ষতি করে না। উল্টে শরীরের যত্নে দারুন উপকারি ভুমিকা পালন করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে: গুড়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এছাড়াও থাকে জিঙ্ক এবং সেলেনিয়াম। এরফলে, গুড় শরীরকে বিভিন্ন জীবাণু এবং সংক্রমক রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়াও, গুড় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাই গুড় শুধু শরীরকে ভিতর থেকেই নয়, বাইরে থেকে সুস্থ এবং সবল রাখতে পারে। শরীরকে ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখে: গুড় এমন এক খাদ্য, যা শরীরকে প্রাকৃতিক উপায়ে ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এই কারণে, বহু চিকিৎসক শরীরকে সুস্থ রাখতে গুড় খাওয়ার পরামর্শ দেন। আসলে গুড় খেলে শরীরের ভিতর থেকে বিষাক্ত উপাদান বেড়িয়ে যেতে পারে। এটি যেমন শ্বাসনালীকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। তেমনই ফুসফুস, অন্ত্র এবং পেটে এবং খাদ্যনালী পরিষ্কার রাখতে পারে। যারা কয়লা খনি, দূষণ বা ধুলো বালির মধ্যে কাজ করেন, তাদের জন্য গুড় অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ঋতুস্রাবকালীন পেটে ব্যাথা দূর করে: গুঁড়ের মধ্যে যে কত রকমের পৌষ্টিক উপাদান রয়েছে, তা তো আগেই বলা হয়েছে। তাই শরীরকে সুস্থ রাখতে এটি খুবই সাহায্য করে। একইসঙ্গে, গুঁড় দারুণ কাজ করে ঋতুস্রাবকালীন পেটে ব্যাথা দূর করতে এবং পেতে খিঁচ ধরে ব্যাথা হওয়াও রোধ করতে পারে। ঋতুস্রাবের আগে সবথেকে বেশি মানসিক সমস্যা হয়। এই ধরণের উপসর্গকে বলা হয় প্রিমেন্সট্রুয়াল সিন্ড্রোম। এই সমস্যা রোধ করতেও গুঁড় দারুণ কাজ করে। রক্তাল্পতা কমায়: গুঁড়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আইরন এবং ফোলেট থাকে, যা রক্তের মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে। গুঁড় সব থেকে বেশি উপকার করে গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে। তাই এমনি সময় হোক বা গর্ভবতী অবস্থায় হোক, গুঁড় খাওয়া নারীদের জন্য খুবই উপকারি এবং স্বাস্থ্যকর। পেটের স্বাস্থ্য বজায় রাখে: গুঁড় পেটের নানারকম রোগ এবং তার কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। কারণ গুঁড়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। প্রতি ১০ গ্রাম গুঁড়ের মধ্যে ১৬ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম থাকে। ফলে নিয়মিত গুঁড় খেলে দৈনিক খনিজের চাহিদা ৪ শতাংশ হারে পূরণ হয়। পেট ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে: গরমকালে কাজ থেকে বাড়ি ফিরে এলেই গুঁড়ের বাতাসা ভেজানো পানি বা গুঁড়ের সরবত অনেকেই পান করেন। বর্তমানে এই রকম দৃশ্য অনেকটা কমে এলেও কেন অনেকেই এগুলো মেনে চলেন। আসলে দীর্ঘক্ষণ বাড়ির বাইরে রোদের মধ্যে বা গরমের মধ্যে থাকলে শরীর গরম হয়ে ওঠে। এমনকি, পেটের গণ্ডগোলও দেখা যায়। এই অবস্থায় গুঁড়ের সরবত খুবই কাজে দেয়। কারণ, গুঁড়ের সরবত শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে।

15-11-2017 04:31:16 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.